ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান
আলবার্টা (ক্যালগেরি, কানাডা) সংবাদদাতা
প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০১৯ | ০০:২৪
কানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৪০ জন শিক্ষার্থী পিএইচডি বা পোস্ট ডক্টরেট করতে পারবেন। বাংলাদেশ সরকার এবং ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ আর্থিক সহায়তায় শিক্ষা গ্রহণ শেষে তারা ফিরে এসে বঙ্গমাতা ন্যাশনাল সেলুলার অ্যান্ড মলিকুলার রিসার্স সেন্টারে (বিএনসিআরসি) গবেষণা কাজে নিয়োজিত হবেন।
সোমবার কানাডায় ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বঙ্গমাতা ন্যাশনাল সেলুলার অ্যান্ড মলিকুলার রিসার্স সেন্টারের মধ্যে এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর সুজানে ফোরটিয়ার এবং বিএনসিআরসি-এর প্রকল্প পরিচালক ডা. মাহমুদ- উজ- জাহান সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষর করেন।
ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যাথলজি বিভাগের ভিজিটিং প্রফেসর ড. আবু সাদাত মোহাম্মাদ নোমান সমঝোতা স্বাক্ষরে বিশেষ সহযোগিতা করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশের সংসদ সদস্য এবংইন্টার পাল্যামেন্টারি ইউনিয়নের সভাপতি, ডা. হাবিব ই মিল্লাত বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার স্বীকৃতির কথা উল্লেখ করেন।
বিএনসিআরসির প্রকল্প পরিচালক ডা. মাহমুদ- উজ- জাহান তার বক্তব্যে বাংলাদেশ সরকারের বঙ্গমাতা ন্যাশনাল সেলুলার অ্যান্ড মলিকুলার রিসার্স সেন্টার প্রকল্পের অনুমোদন এবং প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে এ ধরনের অত্যাধুনিক প্রকল্প পরিচালনা ও তা বাস্তবায়নে উচ্চ শিক্ষিত দক্ষ জনবলের প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। দক্ষ লোকবল তৈরিতে সহযোগিতার জন্য ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়কে ধন্যবাদ জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার মিজানুর রহমান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশের পুনঃনির্মাণে বিশেষ করে স্বাস্থ্যখাত উন্নয়নের উদ্যোগের কথা বিবৃত করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের সময়কালে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন বিশেষত স্বাস্থ্যখাতে উন্নয়নের কথা বর্ণনা করেন।
ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ও ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর সুজানে ফোরটিয়ার তার বক্তব্যে তার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার উচ্চমান এবং এর ঐতিহ্য বর্ণনা করে প্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জ্ঞান ও গবেষণার ক্ষেত্র ও মান বৃদ্ধির অঙ্গীকার করেন। তার বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রচেষ্টারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের সঙ্গে ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রতিফলন হিসেবে তিনি তুলে ধরেন এবং এই উদ্যোগের সফলতা কামনা করেন।
- বিষয় :
- ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়
- শিক্ষার সুযোগ
