কানাডায় 'বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ' শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনা
কানাডা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০২০ | ২২:১০
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে কানাডার আলবার্টায় বাংলা অনলাইন প্রবাস বাংলা ভয়েস-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে 'বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ' শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনা।
আলোচনার শুরুতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন প্রবাস বাংলা ভয়েস-এর প্রধান সম্পাদক আহসান রাজীব বুলবুল।
এতে উপস্থিত ছিলেন- কানাডায় বাংলাদেশ হাই-কমিশনার মিজানুর রহমান, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাট্যজন ম. হামিদ, নাট্যজন ফাল্গুনী হামিদ, কানাডার আলবার্টা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি আবদুল্লাহ রফিক এবং কানাডার আলবার্টা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাফর সেলিম।
বক্তারা বঙ্গবন্ধুর চিন্তা ও ভাবাদর্শ, বঙ্গবন্ধুর জীবনে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছার অবদান, ১৫ আগস্ট কালরাতের পটভূমি, বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনীদের দেশে ফিরিয়ে নেওয়া ও এর পেছনের কুশিলকদের বিচার দাবি, বাঙালি জাতিকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও পরিকল্পনা, বঙ্গবন্ধুর সেক্যুলার রাজনীতির পর্যবেক্ষণ এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান নিয়ে আলোচনা করেন।
কানাডাস্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনার মিজানুর রহমান বলেন, 'জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কিত রাত আজ। ১৯৭৫ সালের কালিমালিপ্ত এই দিনেই জাতি হারিয়েছে তার গর্ব, ইতিহাসের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে সেদিন ধানমণ্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বর সড়কের বাড়িতে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তার পরিবার-পরিজনকেও ঘৃণ্যতম পৈশাচিকতায় হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত, শস্য-শ্যামলা সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করার। সেই লক্ষ্য নিয়েই তিনি কাজ করে যাচ্ছিলেন।'
নাট্যজন ম.হামিদ বলেন, 'আমরা জানি, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে নিঃশেষ করতে পারেনি খুনিরা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সংহতির প্রতীক বঙ্গবন্ধু এখনও তার জীবন, কর্ম ও বাণী দিয়ে জাতিকে শক্তি জুগিয়ে চলছেন। আমরা নিশ্চিত, অনাগত দিনগুলোতেও বঙ্গবন্ধু হয়ে থাকবেন বাঙালি জাতি ও বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্য অনিঃশেষ বাতিঘর।'
- বিষয় :
- জাতীয় শোক দিবস
- কানাডা
- প্রবাস