ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

সচেতনতা

অযথা ভাবনায় লাভ-ক্ষতি কার?

অযথা ভাবনায় লাভ-ক্ষতি কার?
×

অযথা ভাবনায় নিজের ক্ষতি করবেন না ছবি : সাহস

শাকিলা ইসরাত

প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ০৬:২৮

আপনি যেটি ভাবেন বা যে চিন্তাটি আপনার মাথায় আসে সেটি তাৎক্ষণিক লিখে ফেলুন। ফলে যে কোনো সমস্যার ধারাবাহিক সমাধান সহজ হবে। সমস্যাগুলোকে গাণিতিক সমস্যার মতো ভাবুন। তাতে ধাপে ধাপে সমাধান করতে পারবেন। 

গুরুত্ব দিয়ে সাজান
সবকিছু একসঙ্গে করতে যাবেন না। কারণ, আপনার চিন্তার ক্ষমতা সীমিত। গুরুত্বপূর্ণ দু-একটি কাজে মন দিন। একটি নিয়ে ভাবা হলে অন্যটিতে মন দিন।

বাড়াবাড়ি থেকে দূরে 
অতিরিক্ত ভাবনা মাথায় নেবেন না। এতে মাথায় জট পাকিয়ে ভাবনাগুলো গুলিয়ে যাবে। আবেগকে প্রাধান্য না দিয়ে যুক্তি দিয়ে ভাবার অভ্যাস করুন। 

অহেতুক ভাবনা নয়
‘কী হলে কী হবে’ এসব না ভেবে ‘সময়েই দেখা যাবে’ কথাটা মাথায় নিন। অনেকে অহেতুক ‘কী হলে কী হবে’ ভেবে ভেবে সময় নষ্ট করে যায়। 

ইতিবাচক জয় 
অতিরিক্ত ভাবনা দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে যেতে পারে, তাই ইতিবাচকভাবে ভাবুন। নিজেকে বলুন, এ সমস্যা সমাধান আমার মাথায়ই আছে। ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস নিয়ে মানিয়ে নিন সমস্যার সঙ্গে। চ্যালেঞ্জ হিসেবে মোকাবিলা করুন। অতিরিক্ত ভাবনায় লাভের চেয়ে ক্ষতির পরিমাণটাই বেশি। এতে ভয় পেতে শুরু করবেন আপনি আর মানসিক চাপের সঙ্গে সময়ের অপচয় তো আছেই। পড়বেন শারীরিক ক্ষতিতেও। 

থাক পড়ে...
যখন আপনি ভাববেন সবচেয়ে খারাপটা হবে তখন আপনার মনের সঙ্গে সঙ্গে আপনার আবেগ, মনোভাব, উৎসাহের সঙ্গে সঙ্গে শরীরেও খারাপ প্রভাব পড়বে। একবার যদি ভয় পেয়ে বসেন তবে সম্ভাব্য জিনিসটাও হাতছাড়া হতে সময় লাগবে না। মনে রাখবেন আপনার মানসিক শক্তির ক্ষমতা অসীম। 

উল্টো পথে
কোনো কাজের সমাধান না পেলে ভাবুন অন্যরা কীভাবে করছে আর আপনার সমস্যাটা ঠিক কোথায়? হালকা ব্যায়াম করুন, গান শুনুন, আড্ডা দিন এতে না পারার হতাশা আপনাকে পেয়ে বসবে না। চিন্তাকে চাপ মনে হলে অন্যকিছু বা অন্য 
কারও দিকে মন দিন। এতে মাথা ঠান্ডা হবে আর সামাজিকতাও রক্ষা করা হবে। 

ঘড়ি টিকটিক!
কত সময় ধরে ভাবছেন খেয়াল রাখুন। ওলটপালট ভেবে সময় নষ্ট করবেন না। যদি আপনার চিন্তাকে কাজে পরিণত না করা যায় তবে আবার নতুন করে ভাবুন! u

আরও পড়ুন

×