অনলাইনে এই ৫টি বিষয় শেয়ার করছেন?
মেনে চলুন অনলাইনের সীমা... মডেল: কেয়া ও বাপ্পা; ছবি: সাহস
ইয়াসিন মাসুম
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬ | ০৭:৩৩
| প্রিন্ট সংস্করণ
সামাজিক মাধ্যমে ব্যস্ত সময় কাটে আপনার। ফেসবুক, মেসেঞ্জার, টিকটক, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার, এক্স, ইউটিউব, মাইস্পেসসহ নানান সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে নিজের অ্যাকাউন্ট খুলে একান্ত ব্যক্তিগত অনেক তথ্য, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি শেয়ার করেন। চ্যাট করেন পৃথিবীর নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা পরিচিত-অপরিচিত নানাজনের সঙ্গে। ফলে একটু অসাবধানতায় আপনার এই অনলাইন-যাপন বয়ে আনতে পারে অকল্পনীয় ক্ষতি। যখন সামাজিক যোগাযোগের সাইটগুলোতে বন্ধুদের সঙ্গে চ্যাট করেন, মানে আড্ডা দেন তখন অনেকেই হয়তো বুঝে উঠতে পারেন না– ঠিক কখন কী ধরনের রিপ্লাই বা জবাব দেওয়া উচিত এবং কী নিয়ে কথা বলা ঠিক নয়। যারা অহরহ এ রকম পরিস্থিতিতে পড়েন কিংবা ভবিষ্যতে পড়ার আশঙ্কা আছে, যেগুলো অনলাইনে কখনোই শেয়ার করা ঠিক নয়, সে রকম
পাঁচটি বিষয়ের মুখোমুখি হই–
পার্টি ছবি: বন্ধুদের সঙ্গে পার্টিতে সবাই কমবেশি মজা করেন। এ মজা করতে গিয়ে বেসামাল অবস্থায় কালেভদ্রে পড়েন কেউ কেউ। সেসব অনাকাঙ্ক্ষিত মুহূর্তের ছবি আবার মজা করে কেউ তুলে রাখেন। এ ধরনের ছবি কিংবা পার্টিতে ধূমপানসহ অন্য কোনো বাজে জিনিস গ্রহণের ছবি অনলাইনে পোস্ট কিংবা কারও সঙ্গে শেয়ার করা উচিত নয়।
কারণ: আপনার ছবিতে যতই প্রাইভেসি দেওয়া থাকুক না কেন, কোনো না কোনো সময় দেখবেন, আপলোড করা বা শেয়ার করা ছবি অন্যরা ঠিকই পেয়ে গেছে ও ব্যবহার করছে।
ফ্লার্টি ছবি: এমন কিছু ছবি নিশ্চয় আপনার সংগ্রহে আছে, যেগুলো আপনার অভিভাবকের নজরে পড়ুক, সেটা আপনি কখনোই চান না। আর তা যদি পড়ে, তাহলে হয়তো পরিণাম শুভকর হবে না! সেই ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগ সাইটের প্রোফাইল বা অ্যালবামে আপলোড করা উচিত নয়।
কারণ: এ ধরনের ছবি অন্য মানুষকে পার্টির ছবির চেয়েও বেশি আকৃষ্ট করে এবং এগুলো হাতে হাতে ছড়িয়ে যায় খুব দ্রুত।
ফোন নম্বর ও ঠিকানা: বেশ কিছু সাইটে ব্যবহারকারীর ফোন নম্বর ও ঠিকানা দেওয়ার অপশন থাকে। কখনোই এ দুটি জিনিস অপরিচিতদের জানতে দেবেন না।
কারণ: অনলাইনে একান্ত আপন বন্ধুদের সঙ্গে নিজের ফোন নম্বর ও ঠিকানা আদান-প্রদান করা যায় সহজেই। তবে বন্ধুদের সঙ্গে অবন্ধুরাও সহজে জেনে যাচ্ছে আপনার এমন একান্ত তথ্য।
শিক্ষক বা বসের বিরুদ্ধে অভিযোগ: সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোকে মাঝেমধ্যে মনে হয় শিক্ষক কিংবা বসের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার স্বর্গরাজ্য। কারণ যার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি তো আর জানছেন না!
কারণ: মনে রাখবেন, আপনি যা কিছু লিখছেন, যাকে নিয়ে লিখছেন তার কাছে চলে যেতে পারেন যে কোনো সময়, যে কোনোভাবে।
নাটকীয়তা: আপনার ব্যক্তিজীবনের সব নাটকীয়তা হয়তো সবাই জেনে যাবে কেবল একটি ‘স্ট্যাটাস’-এর মাধ্যমে। তবে কিছু কথা কি একান্তই ব্যক্তিগত নয়?
কারণ: পাবলিক প্লেসে পার্সোনাল কথা বলা চূড়ান্ত বোকামি। এর ফলে আপনার ব্যক্তিগত
জীবনে নাটকের সংখ্যা আরও বেড়ে যাবে
এবং ধরেই রাখুন– সেই নাটকটি হবে ট্র্যাজেডিতে পরিপূর্ণ!
- বিষয় :
- অনলাইন