করহার না বাড়ুক, আদায় হোক হয়রানিমুক্ত
আনোয়ার ইব্রাহীম
প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬ | ০৭:০৮
| প্রিন্ট সংস্করণ
কলকারখানার বিরামহীন চাকা আর বাজারের ব্যস্ত কোলাহলের পেছনে এখন এক অদৃশ্য উৎকণ্ঠা– কেমন হবে আগামীর বাজেট। একদিকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে টালমাটাল বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার, অন্যদিকে স্থানীয় বাজারে ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির চাপ। দেশের অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিস্থিতি তেমন ভালো নয়। এমন বাস্তবতায় ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেট সামনে। নতুন করে আবার কোথায় কোথায় কর বসবে, করহার বাড়বে কিনা– তা নিয়ে আলোচনা বেশি ব্যবসায়ী মহলে। তাদের প্রত্যাশা. করহার যাতে না বাড়ে এবং কর আদায় ব্যবস্থা যাতে হয়রানিমুক্ত হয়।
উৎকণ্ঠা আরও বাড়িয়েছে যখন সরকার আগেভাগেই ঠিক করে রেখেছে, বাজেটের আকার বাড়াবে। নতুন বাজেটে ব্যয়ের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের বাজেটের তুলনায় প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা বেশি। বাজেট বাস্তবায়নে ছয় লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করার পরিকল্পনা করছে সরকার, যা চলতি বাজেটের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ২৩ শতাংশ বেশি।
রাজস্ব আদায়ের মূল দায়িত্ব বরাবরের মতো বর্তাবে এনবিআরের ওপর। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট রাজস্ব আদায় হয়েছিল চার লাখ ৯ হাজার কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পাঁচ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা ধরা হয়েছে। যদিও প্রকৃত আদায় কোনোভাবেই পাঁচ লাখ কোটি টাকার বেশি হবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই বলছে, ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে এক ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার যে লক্ষ্যমাত্রা বর্তমান সরকার নিয়েছে, তার মূল চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে একটি ‘ব্যবসাবান্ধব’ ও ‘হয়রানিমুক্ত’ বাজেট কাঠামোর মধ্যে। ব্যবসায়ীরা যদি স্বচ্ছন্দে ব্যবসা করার পরিবেশ না পান, তাহলে সরকারের এ লক্ষ্য পূরণ হবে না। বড় অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য কেবলই সরকারের স্বপ্ন ও কাগুজে দলিল হয়ে থাকবে বলে সতর্ক করেছে সংগঠনটি।
বাজেটের আগে ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন ফোরামে বলেছেন, সরকার বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে সরকার যত শ্রম-মেধা খাটায়, ততটা খাটাচ্ছে না দেশীয় বিনিয়োগ বাড়াতে। অথচ দেশের ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগ না করলে কখনও বিদেশিরা আসবেন না। এ ছাড়া ব্যবসার পদে পদে হয়রানি ও দুর্নীতির কবলে পড়েন ব্যবসায়ীরা। তারা এসব অবসানের কথা বারবার বলছেন।
ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে করের হার না বাড়িয়ে করের আওতা বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের অভিযোগ– যারা কর দেন, সরকার কেবল তাদের ওপরই করের বোঝা চাপায়। দেশে বহু প্রতিষ্ঠান এবং উচ্চ আয়ের ব্যক্তি করজালের বাইরে রয়েছে। তাদের করের আওতায় আনতে করনীতি ও কর ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং অটোমেশনের মাধ্যমে করজাল সম্প্রসারণ করতে হবে। কর ফাঁকি বন্ধ করতে হবে। রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও কর সংস্কার করতে হবে। করনীতি হতে হবে দীর্ঘমেয়াদি। ব্যবসায়ীদের কত কর দিতে হবে, তা যেন আগাম অনুমান করতে পারেন এবং সে অনুযায়ী ব্যবসা পরিকল্পনা সাজাতে পারেন।
করহার যেন আর না বাড়ে
এনবিআরের সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনায় দেশের সব ব্যবসায়ী সংগঠন দাবি জানিয়েছে, যাতে করহার বাড়ানো না হয়। তাদের মতে, করহার না বাড়িয়ে কেবল করজাল সম্প্রসারণ করেই সরকার যথেষ্ট রাজস্ব আয় করতে পারে। ব্যবসায়ীদের দাবি, করপোরেট করহার নন-লিস্টেড কোম্পানির ক্ষেত্রে সাড়ে ২৭ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করা হোক এবং পর্যায়ক্রমে তা ২০ থেকে ২২ শতাংশে এ নামিয়ে আনতে হবে, যাতে বৈশ্বিক বাণিজ্য প্রতিযোগিতায় আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে ব্যবসায় টিকে থাকতে পারে। শিল্প পরিচালনার খরচ কমাতে কাঁচামাল আমদানিতে অগ্রিম আয়কর এবং উৎসে কর যৌক্তিকীকরণের দাবি জানানো হয়েছে। বিশেষ করে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পসহ সব রপ্তানির বিপরীতে উৎসে কর ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ করার এবং তা আগামী ৫ বছর পর্যন্ত বহাল রাখার প্রস্তাব করেছেন তারা।
ভ্যাট ও শুল্ক ব্যবস্থায় পরিবর্তনের সুপারিশ
মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট আদায়ের ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের জন্য বিশেষ ছাড় চেয়েছে এফবিসিসিআই। স্থানীয় পর্যায়ে পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে ভ্যাটের হার ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করার জোরালো দাবি জানানো হয়েছে। এ ছাড়া আমদানিতে অগ্রিম কর ২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কারণ এটি সরাসরি উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে দেয়। ভ্যাট রিফান্ড বা ফেরত ব্যবস্থা সহজ করার পাশাপাশি অনলাইনে রিটার্ন দাখিল এবং ই-ইনভয়েসিং চালুর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
শুল্ক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এফবিসিসিআইর প্রস্তাব হলো– দেশে উৎপাদিত হয় না এমন শিল্পের যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক সর্বোচ্চ ১ শতাংশ এবং দেশে উৎপাদিত হয় এমন যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে ৩ শতাংশ নির্ধারণ করা। কাস্টমস স্টেশনে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন স্ক্যানিং মেশিন স্থাপন এবং এ্যাসাইকুডার মাধ্যমে দ্রুত পণ্য খালাস নিশ্চিত করে ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন বৃদ্ধির দাবি জানানো হয়েছে। এ ছাড়া বাড়তি কর সমন্বয় ও ফেরত প্রদান কেবল মুখে না রেখে হয়রানিমুক্তভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।
জ্বালানি নিরাপত্তা ও শিল্প উন্নয়ন
শিল্পের চাকা সচল রাখতে স্থিতিশীল মূল্যে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের নিশ্চয়তা চেয়েছেন ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য লজিস্টিকস ও পরিবহন খরচ কমানো এবং জ্বালানি খাতে ভর্তুকির পরিবর্তে বিকল্প প্রণোদনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ এবং এলপিজির মতো জ্বালানি তেলের ব্যবসায়ও বেসরকারি খাতকে যুক্ত করারও দাবি উঠেছে। রপ্তানি সম্প্রসারণে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল এর পরিমাণ বাড়ানো এবং নতুন বাজার সন্ধানে বৈদেশিক মিশনগুলোকে আরও সক্রিয় করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আর্থিক খাত সংস্কার
আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে বাংলাদেশ ব্যাংককে একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যকর করার অনুরোধ জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে ব্যাংক ঋণের সুদের হার কমানো এবং সরকারি খাতের ব্যাংক ঋণের প্রবাহ কমিয়ে বেসরকারি খাতের জন্য ঋণের সুযোগ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া পাচার করা অর্থ দ্রুত ফিরিয়ে আনতে এবং মানি লন্ডারিং রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
পুঁজিবাজারের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা এবং ‘ক্যাশলেস’ অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্যে একটি ‘ইউনিফাইড পেমেন্ট ইন্টারফেস’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন ব্যবসা সংগঠনের পক্ষ থেকে।
লজিস্টিকস খাতের উন্নয়ন
দেশে লজিস্টিক খরচ আমদানি থেকে উৎপাদন ও বিপণন পর্যায় পর্যন্ত প্রায় ১৬ শতাংশ, যার বৈশ্বিক গড় ১০ শতাংশ। এ খরচ কমানো গেলে এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের রপ্তানি সক্ষমতা বাড়বে বলে বিভিন্ন আলোচনায় বলা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা মনে করেন, বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিপিং খরচসহ সব ধরনের পরিবহন ব্যয় কমানো পণ্য সরবরাহের গতি বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য। বিশেষ করে নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরবরাহ চেইন ও লজিস্টিকস ব্যবস্থাপনা জোরদার করার পাশাপাশি মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমাতে হবে। রপ্তানি বাণিজ্যে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা বজায় রাখতে নগদ সহায়তার বিকল্প হিসেবে লজিস্টিকস ও পরিবহন খাতে বিশেষ প্রণোদনা বা সুবিধা প্রদানের প্রস্তাব করেছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায় খরচ কমানো
ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়িক ব্যয় কমিয়ে আনার দাবি জানিয়ে আসছেন, যা এফবিসিসিআই সম্প্রতি এনবিআর ও সরকারকে যে সুপারিশ জানিয়েছে, তাতেও প্রধান্য পেয়েছে। তারা মনে করেন, বিনিয়োগ আকর্ষণ ও সুরক্ষার জন্য জ্বালানি ও বিদ্যুৎসহ স্থায়ী পরিকাঠামো উন্নয়নে স্বচ্ছতা ও সুশাসন নিশ্চিত করা জরুরি। উৎপাদন খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখতে শিল্পে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের নিশ্চয়তা চান ব্যবসায়ীরা। এ ছাড়া ‘ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন’ এর স্বার্থে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন এবং ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ ও অনলাইনভিত্তিক সেবা কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করার সুপারিশ করা হয়েছে।
টার্নওভার এবং আগাম কর কমাতে হবে
ব্যবসায়ীদের স্বস্তি দিতে টার্নওভার কর এবং আমদানি পর্যায়ের কর যৌক্তিকীকরণের প্রস্তাব দিয়েছে এফবিসিসিআই। সংগঠনটি বলেছে, টার্নওভারের ওপর ন্যূনতম কর ১ শতাংশ থেকে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ করা এবং পর্যায়ক্রমে তা প্রত্যাহার করা উচিত। শিল্প উৎপাদনের খরচ কমাতে কাঁচামাল আমদানিতে প্রদেয় আগাম কর (এটি) ২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করার সুপারিশ করা হয়েছে। একইভাবে, শিল্প পরিচালনার ব্যয় হ্রাসের লক্ষ্যে উৎপাদনকারীদের জন্য আমদানি পর্যায়ে প্রদেয় অগ্রিম আয়কর (এআইটি) ধাপে ধাপে কমিয়ে আনার দাবি জানানো হয়েছে। ধরনের অগ্রিম করগুলো ব্যবসায়ীদের কার্যকরী মূলধন বা ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ব্লক করে রাখে, যা সরাসরি শিল্প উৎপাদন ও সম্প্রসারণে বাধা সৃষ্টি করে।
আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানো
আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও নীতিগত অসংগতিকে সরকারের ইচ্ছার প্রতিফলন না হওয়ার বড় কারণ বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা। তারা জানান, আমলাতান্ত্রিক দৌরাত্ম্য কমিয়ে একটি ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে পারলে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেট দেশের অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠার শক্তিশালী হাতিয়ার হবে। ব্যবসায়ীদের প্রস্তাবনা বাস্তবায়িত হলে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়বে এবং সরকার তার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা সহজে অর্জন করতে পারবে। ব্যবসায়ী সমাজ আশা করে, সরকার অংশীজনের সঙ্গে নিয়মিত সংলাপের মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বাস্তবায়নযোগ্য বাজেট উপহার দেবে।
সম্প্রতি রাজধানীতে দৈনিক বণিক বার্তা আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরী বলেন, ‘অনুগ্রহ করে কর বাড়াবেন না। কর বাড়ালে চাল থেকে ফ্রিজ পর্যন্ত সব পণ্যের দাম বেড়ে যায়। করহার ছোট রাখলে অর্থনীতি বড় হবে। রপ্তানি বাড়াতে ব্যবসা সহজ করুন, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, সে পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।’
একই অনুষ্ঠানে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা কামাল বলেন, সরকার ব্যবসা সহজীকরণের কথা বললেও বাস্তবে আমরা উল্টোটা দেখি। দাপ্তরিক কাজে এখনও অনেক নেতিবাচকতা এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রয়ে গেছে। সবকিছু অনলাইনে করার কথা বলা হলেও ফাইল খোলার সময় বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন হতে হয়, যা উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে।’
ওই অনুষ্ঠানে ডাচ্বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এহতেশামুল হক খান বলেন, ‘বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যে অস্থিরতা চলছে তা সরাসরি আমাদের ইকোনমিতে ইমপ্যাক্ট ফেলছে। আমাদের কর ভিত্তি দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বনিম্ন। এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য একটি ব্যবসাবান্ধব নীতি প্রয়োজন।’
- বিষয় :
- করহার
