ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

এইচএসসির পর কেন পড়বেন বিইউএফটিতে

এইচএসসির পর কেন পড়বেন বিইউএফটিতে
×

ফাইল ছবি

 সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২৫ | ০০:২৭

এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সাড়ে ১৪ লাখ পরীক্ষার্থী। গত বছরের তুলনায় চলতি বছরে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ৯১ হাজার ৪৪৮ জন। পরীক্ষার ফল আগামী নভেম্বরে প্রকাশ করা হতে পারে। এরপরই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে। ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে ১৬৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৫০টির বেশি বিষয় পড়ানো হয়।
দেশে এত বিশ্ববিদ্যালয় থাকতে বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউএফটি) বেশি আগ্রহের নানা কারণ রয়েছে। বিইউএফটি একটি বিশেষায়িত ও স্থায়ী সনদপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে উচ্চশিক্ষা বিস্তারে বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে। দেশের শ্রমবাজারের কথা ভাবলে টেক্সটাইল নিয়ে পড়াশোনা করাই বুদ্ধিমানের কাজ। তৈরি পোশাকশিল্প আমাদের সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাত এবং আগামী ১০ বছর পর্যন্ত নিশ্চিন্তে তাই থাকবে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের কারণে সেগুলোতে কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন কর্মীর চাহিদা এখনকার চেয়ে অনেক গুণ বেড়ে যাবে। ফলে কাজ দেখানোর সুযোগও বাড়বে। সেই সঙ্গে আমাদের দেশেও নিজেদের ব্র্যান্ডের অনেক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে এবং বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর আনাগোনা আরও বাড়বে। 
এক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তিগত শিক্ষার উপযোগী কারিকুলাম প্রণয়ন ও নিয়মিতভাবে কারিকুলাম ও সিলেবাসের উন্নয়ন, যথোপযোগী এবং পর্যাপ্ত সংখ্যক ল্যাব প্রতিষ্ঠা ও সেসবের মাধ্যমে প্রায়োগিক শিক্ষাদান, দেশের বিভিন্ন উৎপাদনমুখী ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নিয়মিত সহযোগিতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা, দেশি-বিদেশি শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা ইত্যাদি বিইউএফটির শিক্ষা পদ্ধতির ক্রমান্নয়ে উন্নতকরণের সহায়ক শক্তি। বিইউএফটি এ পর্যন্ত ৩০টি দেশি ও বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্বাক্ষর করেছে। বেশ কয়েকটি বিদেশি সরকার ও প্রতিষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয়টির সঙ্গে বিভিন্ন যৌথ গবেষণা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। 
বিইউএফটির অনেক গ্র্যাজুয়েট বর্তমানে পেশাগত জীবনে সফলতার সঙ্গে কাজ করছে এবং তাদের উদাহরণ বর্তমান শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে। 

আরও পড়ুন

×