ব্যাটে-বলে ঝরঝরে পাকিস্তান সফরের দল
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ০৫:১৯
পাকিস্তানের দ্বিতীয় দফায় একমাত্র টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। ওই টেস্টের কথা মাথায় রেখে প্রিমিয়ার লিগের বদলে বিসিএল আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বোর্ড কর্মকর্তারা। উদ্দেশ্যে পরিষ্কার, পাকিস্তানের মাটিতে টেস্টে ভালো করা। ম্যাচ খেলে প্রস্তুতি নেওয়া। পাকিস্তান সফরের ওই দলে থাকা আট ব্যাটসম্যানের চারজনই বিসিএলে পেয়েছেন সেঞ্চুরি। রান পেয়েছেন অন্যরা। আবার বোলাররাও খারাপ করেননি।
সাকিব আল হাসান নিষেধাজ্ঞার কারণে দলে নেই। মুশফিকুর রহিম নিরাপত্তার কারণে দ্বিতীয় দফায়ও পাকিস্তান সফরে যাচ্ছেন না। বিশ্রাম এবং পারিবারিক কারণে দলের বাইরে থাকা তামিমের তাই পাকিস্তান সফরে দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেছে। তিনি বিসিএলের অষ্টম পর্বের প্রথম রাউন্ডে খেলেছেন ক্যারিয়ার সেরা এবং বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের ইতিহাস সেরা ৩৩৪ রানের হার না মানা ইনিংস।
পাকিস্তান সফরের আগে তার এই ইনিংস গোটা দলকেই দেবে আত্মবিশ্বাস। ভারতের মাটিতে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার পর পাকিস্তান সফরেও সাকিবের জায়গায় টেস্টের নেতৃত্ব পাওয়া মুমিনুল হকও বিসিএলে পেয়েছেন সেঞ্চুরি। ইস্ট জোনের এই ব্যাটসম্যান ১১১ রান করে আউট হন। ওদিকে নর্থ জোনের হয়ে খেলা লিটন দাস দ্বিতীয় ইনিংসে পেয়েছেন সেঞ্চুরি। তার আগে সাউথ জোনের মাহমুদুল্লাহ রিয়াল পুরোপুরি ১০০ রানের ইনিংস খেলার পরে তার দল ইনিংস ঘোষণা করে।
পাকিস্তান সফরের দলে থাকা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে রান পেয়েছেন তরুণ ব্যাটসম্যান সাইফ হাসান ও নাজমুল হোসাইন শান্ত। সাইফ প্রথম ইনিংসে ২১৪ বল খেলে ৫৮ রান করেন। তামিমদের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি ৩৩ রান করে আউট হন। একই দলে থাকা নাজমুল শান্ত প্রথম ইনিংসে ১০ রান করে আউট হন। দ্বিতীয় ইনিংসে দলকে হার এড়ানোর আশা দেখানো নাজমুল আউট হন ৫৪ রান করে।
এছাড়া মোহাম্মদ মিঠুন ছুটছিলেন সেঞ্চুরির পথে। প্রথম ইনিংসে হতাশ করা এই ব্যাটসম্যান দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৩ রান করে আউট হয়েছেন। তিনি সেঞ্চুরিটা করতে পারলে তামিমদের ইস্ট জোনের বিপক্ষে হয়তো ইনিংস ও ৯ রানের হারটা এড়ানো কঠিন হতো না দলের। পাকিস্তান সফরের দলে থাকা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সবচেয়ে কম রান পেয়েছেন সৌম্য সরকার। পাকিস্তান সফরের টি-২০ সিরিজে পেস অলরাউন্ডারের দায়িত্বপালন করা এই ব্যাটসম্যান প্রথম ইনিংসে ওপেন করে ৩৬ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ রান করে আউট হন।
ওদিকে পাকিস্তান সফরের বোলিং আক্রমণে যারা আছেন বিসিএলে ভালো করেছেন তারাও। ইস্ট জোনের স্পিনার তাইজুল ইসলাম প্রথম ইনিংসে সেন্ট্রাল জোনের পাঁচ উইকেট তুলে নেন। দ্বিতীয় ইনিংসে দলের অন্য স্পিন ভরসা নাঈম হাসান পেয়েছেন পাঁচ উইকেট। পাকিস্তান সফরে পেস আক্রমণের দায়িত্বে থাকা আবু জায়েদ-এবাদতরাও খারাপ করেননি। আবু জায়েদ প্রথম ইনিংসে দুই এবং পরের ইনিংসে পেয়েছেন এক উইকেট। এবাদত প্রথম ইনিংস থেকে নেন ২ উইকেট। তবে রুবেল দুই ইনিংসে পান ১ উইকেট। আল আমিন নিয়ন্ত্রিত বোলিং করলেও দুই ইনিংসে উইকেট পেয়েছেন একটি।
