শাহাদাত কৃতজ্ঞ একজন ‘সুদীপ্ত ভাইয়ের’ কাছে
ছবি: আইসিসি
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ০৮:০২
একজন ক্রিকেটারের উঠে আসার পেছনে তার পরিবারের অনেক ত্যাগ থাকে। তাদের সমর্থনটা বড় দরকার। সঙ্গে স্থানীয় ক্রিকেট সংগঠকরা রাখেন বড় অবদান। যারা প্রথম খুঁজে বের করেন প্রতিভা। সুযোগ করে দেন অনুশীলনের। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ী চট্টগ্রামের শাহাদাত হোসেন দিপুর পেছনেও অবদান আছে এমন এক স্থানীয় ক্রিকেট সংগঠকের।
বৃহস্পতিবার নিজ এলাকা চট্টগ্রামে পৌঁছে শাহাদাত সাংবাদিকদের বলেন, ‘সাকিব ভাই, তামিম ভাইদের মতো হতে চাই। বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার হতে চাই, চাই দেশের ১০ ব্যাটসম্যানের একজন হতে। ক্রিকেট খেলে যে সুনাম এসেছে তা আমার মা, বড় ভাই আবুল হোসেন বাবু ও দুলাভাইয়ের (বোনের স্বামী) কল্যাণে।’
ক্লাবে ভর্তি হওয়ার বিষয়ে শামীম বলেন, ‘তবে পাড়ার সুদীপ্ত ভাই আমাকে ইস্পাহানী ক্লাবে ভর্তি না করালে আমি কোন দিন ক্রিকেটার হতাম কি-না জানি না।’ শাহাদাত বিশ্বকাপ জেতায় শুভাকাঙ্খিরা ফুলের মালা নিয়ে আসেন। মিষ্টি খাওয়ান। বিশ্বকাপের অনুভূতি নিয়ে দীপু বলেন, আমাদের লক্ষ্য ছিল চ্যাম্পিয়ন হবো। গত দুই বছর ভালো খেলছিলাম। ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও এশিয়া কাপে ভালো খেলেছি।
তিনি জানান, কোচরা আমাদের খুবই সহায়তা করেছেন। এরকম কোচিং স্টাফ পাওয়া খুবই সত্যি অসাধারণ। আমরাও দল হয়ে খেলছি। শাহাদাত কোয়ার্টার ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৭৪ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেন। তার বাড়ি পটিয়ার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের চরকানাই গ্রামে। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বাবার চাকরির সুবাদে দীর্ঘিদিন তার পরিবার নগরের শুলকবহর এলাকায় থাকেন।
- বিষয় :
- খেলা
- ক্রিকেট
- অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ
- শাহাদাত
- চট্টগ্রাম
