জয়ে মিটল সৌম্যর আক্ষেপ, তানভীরে জয় বরিশালের
ন্যাশনাল ক্রিকেট লিগের লোগো। ছবি: ফাইল
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১১ নভেম্বর ২০২৫ | ১৮:৫৫ | আপডেট: ১১ নভেম্বর ২০২৫ | ১৮:৫৬
দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি মিস করেছেন সৌম্য সরকার। তবে ন্যাশনাল ক্রিকেট লিগের তৃতীয় রাউন্ডে তার ব্যাটে খুলনা বিভাগ ২ উইকেটের রোমাঞ্চকর জয় পেয়েছে। অন্য ম্যাচে স্পিনার তানভীর ইসলামের ঘূর্ণিতে শেষ দিন রাজশাহী বিভাগকে ৫৪ রানে হারিয়েছে বরিশাল বিভাগ। কক্সবাজারে সিলেট বিভাগ ও রংপুর বিভাগ এবং ময়মনসিংহ বিভাগ ও ঢাকা বিভাগের ম্যাচ ড্র হয়েছে।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে প্রথম ইনিংসে চট্টগ্রাম ৩৫১ রান তোলে। সৌম্যর ৯২ রানের পরও খুলনা ২৮১ রানে আটকে যায়। চট্টগ্রাম ৭০ রানের লিড পেলেও দ্বিতীয় ইনিংসে ১৬৬ রানে অলআউট হলে খুলনাকে ২৩৭ রানের লক্ষ্য দিতে পারে। খুলনা তৃতীয় দিন কোন উইকেট না হারিয়ে ৫২ রান করে ফেলে। মঙ্গলবার সৌম্য দ্বিতীয় ইনিংসে ৭১ রান করে ফিরে যান। তারপরও জয় নিয়ে শঙ্কায় ছিল খুলনা। শেখ মাহেদী ৫০ রানের হার না মানা ইনিংস খেলে দলকে জেতান। প্রথম ইনিংসে খুলনার সফর আলী ৫ উইকেট নেন। পেসার মেহেদি রানা দুই ইনিংসেই ৩টি করে উইকেট নেন।
খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে বরিশাল প্রথম ইনিংসে ২১২ রান করে অলআউট হয়। জবাবে রাজশাহী বিভাগ ২৩৫ রান করে ২৩ রানের লিড নেয়। দ্বিতীয় ইনিংসে বরিশাল ফজলে মাহমুদের ৬৯ রানে ভর করে ২৬৮ রান তোলে। তানভীর ইসলাম ও ইয়াসির আরাফাত রাজশাহীকে ১৯১ রানে অলআউট করে জয় তুলে নেন। দ্বিতীয় ইনিংসে তারা দু’জনই ৪টি করে উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হওয়া তানভীর প্রথম ইনিংসে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট।
কক্সবাজারের শেখ কামাল ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শেষ দিন দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি করেছেন সিলেটের মুবিন আহমেদ দিশান। দ্বিতীয় ইনিংসে তার ১৪১ রানে হারের শঙ্কা উড়িয়ে ড্র করেছে সিলেট। প্রথম ইনিংসে সিলেট ১৯৯ রানে অলআউট হয়ে যায়। রংপুরের মুকিদুল ইসলাম, রবিউল হাসান ও আব্দুল্লাহ আল মামুন ৩টি করে উইকেট নেন। জবাবে রংপুর ২৪৫ রান করে ৪৬ রানের লিড পায়। বৃষ্টি বৃঘ্নিত ম্যাচে সিলেট তৃতীয় দিন ১৭৩ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে। তবে দিশানের ব্যাটে শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ২৯৪ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে তারা। রংপুর ৪ উইকেটে ১১২ রান করলে ম্যাচ ড্র হয়।
শেখ কামাল ক্রিকেট একাডেমি মাঠে ময়মনসিংহ ও ঢাকার ড্র হওয়া ম্যাচে ছয়টি ফিফটির দেখা মিলেছে। প্রথম ইনিংসে ময়মনসিংহ ৩৩৬ রান করে। নাঈম শেখ ৯০ এবং পেস অলরাউন্ডার শহিদুল ইসলাম ৭৯ রান করেন। জবাবে ঢাকা তিন ফিফটিতে ৩৮৮ রান করে। ওপেনার জয়রাজ শেখ ৭৭ এবং মিডল অর্ডারের মার্শাল আইয়ূব ও আনিসুল ইমন যথাক্রমে ৭২ ও ৭৯ রান করেন। ময়মনসিংহ দ্বিতীয় ইনিংসে কোন উইকেট না হারিয়ে ৯৭ রান করলে ম্যাচ ড্র হয়। ওই ইনিংসে মাহফিজুল ইসলাম ৫১ রান করেন।
- বিষয় :
- সৌম্য সরকার
