ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

‘চাইলে চলে যেতে পারো’, ব্রুনোকে বলেছিল ম্যানইউ  

‘চাইলে চলে যেতে পারো’, ব্রুনোকে বলেছিল ম্যানইউ  
×

ম্যানইউ অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেজ। ছবি: ফাইল

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ | ১৪:৪২

বছর তিনেক আগে এমনই হয়েছিল রোনালদোর সঙ্গে। কোচের সঙ্গে ঝামেলায় রোনালদোর সঙ্গে চুক্তি বাতিল করেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ক্লাবটির এক বাক্যে তারকা কিংবা সম্ভাবনাময়দের ছেড়ে দেওয়ার এই তালিকা দীর্ঘ। হালের স্কট ম্যাকটমিনে ও আলেহান্দ্রো গার্নাচো বড় উদাহরণ।

ম্যানইউ-এর অধিনায়ক এবং পর্তুগিজ তারকা ব্রুনো ফার্নান্দেজের সঙ্গেও এমনটা হতে যাচ্ছিল। সৌদি প্রো লিগ থেকে আকর্ষণীয় প্রস্তাব এসেছিল তার জন্য। ক্লাব যেমন ভালো মূল্য পেত। ব্রুনোও পেতে পারতেন মোটা অঙ্কের বেতন। ম্যানইউ কর্তৃপক্ষের ওই প্রস্তাবে সায় ছিল ষোলো আনা। তাকে বলে দেওয়া হয়েছিল- বল তোমার কোর্টে।

তবে ম্যানইউ’র পর্তুগিজ কোচ রুবেন অ্যামোরি বাদ সাধেন। ব্রুনোকে তিনি ওল্ড ট্রাফোর্ডে থেকে যেতে বলেন। ব্রুনোরও মনও চাইছিল না রেড ডেলিভস শিবির ছেড়ে যেতে, ‘আমার হাতে ক্লাব ছাড়ার প্রস্তাব ছিল। সামনের দলবদলেও প্রচুর অর্থের বিনিময়ে ম্যানইউ ছাড়ার প্রস্তাব আছে। ম্যানইউ কর্তৃপক্ষও চেয়েছিল, আমি যেন চলে যাই। আমি যাইনি। কারণ এই ক্লাবকে আমি ভালোবাসি। এই ক্লাবের হয়ে এই মৌসুমে অনেক ট্রফি জিততে চাই। কোচও আমাকে চেয়েছিলেন।

পর্তুগালের টেলিভিশন ‘ক্যানাল ইলেভেন’কে সাক্ষাৎকারে ব্রুনো আরও বলেন, ‘আমাকে ক্লাব থেকে বলেছিল, তুমি চলে যেতে চাইলে আমরা আটকাব না। কথাগুলো আমাকে ভীষণভাবে কষ্ট দিয়েছিল। মনে হয়েছিল, আমাকে কেউ চায় না এখানে।’

প্রচণ্ড মানসিক টানাপোড়েনের মধ্যে স্ত্রীর একটি কথা ব্রুনোকে স্থির সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করেছিল। প্রথম সে আমার কাছে জানতে চায়– তুমি এই ক্লাব থেকে যা চেয়েছ তার সবকিছু কি অর্জন করতে পেরেছ? সে জানত, আমার উত্তর হবে ‘না’। আমি যখন তাকে বলি, আমি এখনও এই ক্লাবের হয়ে স্বপ্নগুলো পূরণ করতে পারিনি। তখন সে জানায়, তাহলে সৌদিতে যেতে হবে না।

৩১ বছরের এই অভিজ্ঞ মিডফিল্ডারের সঙ্গে ম্যানইউর ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত চুক্তি রয়েছে। ক্লাবের হয়ে ৩০৭ ম্যাচে ১০৩ গোল এবং ৯৩ গোলে সহায়তা দেওয়া ব্রুনো জানান, তিনি কখনো সৌদি লিগে গেলে সেটাও অর্থের জন্য হবে না, ‘অর্থ-কড়ি নিয়ে ম্যানইউর প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই। কখনও সৌদিতে গেলে জীবনধারার পরিবর্তনের জন্য যাবো। ম্যানচেস্টারের বৃষ্টি আর ঠান্ডা থেকে আমার সন্তানেরা যেন রোদে থাকতে পারে সেজন্য যাবো। লিগটাও দিন দিন উন্নতি করছে।’

আরও পড়ুন

×