ঢাকা শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে বাংলাদেশের লক্ষ্য ১৯৭

সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে বাংলাদেশের লক্ষ্য ১৯৭
×

ছবি- ক্রিকইনফো

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬ | ১৫:৫৫ | আপডেট: ১৯ জুন ২০২৬ | ১৬:০০

সিরিজ বাঁচানোর বাঁচা-মরার লড়াইয়ে ম্যাচে রানের পাহাড় গড়েছে অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে আগে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রান সংগ্রহ করেছে সফরকারীরা। সিরিজে টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশ দলকে করতে হবে ১৯৭ রান।

চট্টগ্রামে আজ টস ভাগ্য সহায় হয়নি স্বাগতিকদের। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অজি অধিনায়ক মিচেল মার্শ। সিরিজ বাঁচানোর এই ম্যাচে বাংলাদেশ দল মাঠে নামে দুটি পরিবর্তন নিয়ে। পেসার শরিফুল ইসলাম ও স্পিনার শেখ মেহেদী হাসানের পরিবর্তে একাদশে সুযোগ পান গতিদানব নাহিদ রানা ও বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ।

আগে ব্যাটিং করতে নামা অস্ট্রেলিয়াকে শুরুতেই চেপে ধরার চেষ্টা করে বাংলাদেশ। তৃতীয় ওভারেই প্রথম সাফল্য এনে দেন নাসুম আহমেদ। ওজি ওপেনার জশ ইংলিশকে (১১) এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন তিনি। পরের ওভারেই বল হাতে আসেন নাহিদ রানা। গত ম্যাচের নায়ক কুপার কনোলিকে (১) নিজের গতির শিকারে পরিণত করে স্লিপে সাইফ হাসানের চমৎকার ক্যাচে বিদায় করেন রানা। ৩১ রানে ২ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে অজিরা।

প্রাথমিক ধাক্কা সামলে তৃতীয় উইকেটে অধিনায়ক মিচেল মার্শকে নিয়ে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন ম্যাট রেনশ। তবে ৭ম ওভারে মার্শকে (২০) মুস্তাফিজুর রহমান ফিরিয়ে দিলে ৫১ রানে ৩ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। এরপরই শুরু হয় রেনশ ও টিম ডেভিডের আসল তাণ্ডব। এই দুই ব্যাটার উইকেটের চারপাশে চার-ছক্কার ফুলঝুরি ফুটিয়ে ম্যাচ বাংলাদেশের নাগালের বাইরে নিয়ে যান।

বিশেষ করে রিশাদ হোসেনের এক ওভারে টানা ৩টি ছক্কা মেরে নিজের বিধ্বংসী হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেন রেনশ। বিপজ্জনক হয়ে ওঠা টিম ডেভিডকে ২৫ বলে ৪৫ রানে আব্দুল গাফফার সাকলাইন থার্ডম্যানে ক্যাচ বানালে ভাঙে এই জুটি। এরপর নিখিল চৌধুরীকে (৮) নাসুম দ্রুত ফেরালেও রেনশ এক প্রান্ত আগলে রেখে বাংলাদেশকে শাস্তি দিতে থাকেন। শেষ ওভারে মুস্তাফিজের ওপর চড়াও হয়ে ১৮ রান তোলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৫২ বলে ৮৯ রানের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নিজের সর্বোচ্চ ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন রেনশ।

বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে নাসুম আহমেদ ছিলেন সবচেয়ে সফল ও মিতব্যয়ী। ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে তিনি নেন ২ উইকেট। এ ছাড়া নাহিদ রানা, মোস্তাফিজ ও আব্দুল গাফফার ১টি করে উইকেট পেলেও ছিলেন বেশ খরুচে।

আরও পড়ুন

×