খেলাধুলার প্রসারে প্রতি ইউনিয়নে ৮ বিঘা জমি দেবে সরকার
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। ছবি: ফাইল
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬ | ২২:৪৮
প্রতি ইউনিয়নে অন্তত আট বিঘা জমি চিহ্নিত করে খেলার মাঠ হিসেবে সংস্কার, উন্নয়ন বা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দেশে খেলাধুলার প্রসারের মাধ্যমে শিশু-কিশোর ও তরুণ সমাজকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ, শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং কর্মক্ষম নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এমন সিদ্ধান্ত সরকারের।
এই প্রসঙ্গে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানান, খেলাধুলার সার্বিক বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত মাঠ প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে। কমিটিতে স্থানীয় সরকার ও গৃহায়ন প্রতিমন্ত্রীসহ ১২জন সচিব রয়েছেন। তাদের তত্ত্বাবধানে ঢাকাসহ সারাদেশে মাঠ সংরক্ষণ, সংস্কার এবং নতুন খেলার মাঠ নির্মাণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রতি ইউনিয়নে একটি করে মাঠ কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ হিসেবে সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে সর্বসাধারণের ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার ও উন্নয়নের প্রস্তাব প্রেরণের অনুরোধ করা হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও এই কার্যক্রমে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে কৃষি জমি বিপন্ন না করারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থান বা গ্রোথ সেন্টারের নিকটে সরকারি খাসজমিকে অগ্রাধিকার দিয়ে অন্তত আট বিঘা জমি চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আগামী অর্থবছরে দেশের আটটি বিভাগসহ দেশের ১০টি অঞ্চলে আন্তর্জাতিক মানের স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণ করা হবে। প্রস্তাবিত এসব স্পোর্টস ভিলেজে ইনডোর স্টেডিয়াম, সুইমিং পুল, আর্চারি, শুটিং ও ফুটবলসহ অন্যান্য খেলার অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকবে।
তিনি জানান, শিশু-কিশোরদের মানসম্মত শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সরকার ইতোমধ্যে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি চালু করেছে এবং চতুর্থ শ্রেণি হতে পাঠ্যক্রমে ক্রীড়া শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার যুগান্তকারী উদ্যোগ নিয়েছে। এসব সমন্বিত উদ্যোগ সফল হলে তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণ সহজ হবে। যা ভবিষ্যতে একটি স্বাস্থ্যবান, সুশৃঙ্খল ও উৎপাদনমুখী জাতি গঠনে যুগান্তকারী অবদান রাখবে।
- বিষয় :
- আমিনুল হক
- যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী