ঢাকা বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

ফ্রান্সকে বিদায় করে বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন 

ফ্রান্সকে বিদায় করে বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন 
×

স্পেনকে শুরুতে লিড এনে দেওয়া ওয়ারসাবালের উদযাপন। ছবি: এনবিসি নিউজ

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬ | ০৩:০১ | আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬ | ০৩:৩১

তর্ক সাপেক্ষে এবারের বিশ্বকাপের সেরা আক্রমণভাগ ফ্রান্সের। কিন্তু স্পেনের রক্ষণদ্বারে রুদ্ধ হয়েছে এমবাপ্পে-ডেম্বেলে-ওলিসের সব চেষ্টা। ম্যাচে গোলের লক্ষ্যে তারা শট নিতে পেরেছে মাত্র চারটি। অন্যদিকে স্পেন ম্যাচের প্রথমার্ধে ও দ্বিতীয়ার্ধে পাওয়া দুই সুযোগের সদ্ব্যবহার করেছে। ২-০ গোলে জিতে পা রেখেছে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে। 

এ নিয়ে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে পা রাখল দুই বছর আগে ইউরো জয়ী লা রোজারা। এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ২০১০ বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল স্পেন। আগামী ১৯ জুলাই রাতে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যে জয়ী দলের বিপক্ষে শিরোপার লড়াইয়ে নামবেন লামিন ইয়ামাল-রদ্রিরা। 

হারের হতাশায় এভাবে মুচড়ে পড়েন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ছবি: এপিমঙ্গলবার ডালাসে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ২২ মিনিটে গোল উপহার পায় স্পেন। ফ্রান্সের অ্যাস্টন ভিলা ডিফেন্ডার লুকাস দিনিয়ে বক্সে ফাউল করে বসেন স্পেনের তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালকে। শূন্যে থাকা বল বিপদমুক্ত করতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনেন তিনি। ‘ব্লাইন্ড শট’ নেন এই লেফট ব্যাক। কিন্তু বলের সঙ্গে সংযোগ না হয়ে লাথিটা ইয়ামালের গায়ে লাগে। পেনাল্টির বাঁশি দিতে তাই ভুল হয়নি রেফারির। 

রিয়াল সোসিয়েদাদে খেলা স্পেনের ২৯ বছর বয়সী স্ট্রাইকার মাইকেল ওয়ারসাবাল পেনাল্টি শন নিয়ে জালে বল পাঠিয়ে দেন। স্পেন ১-০ গোলের লিড নিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করে। দ্বিতীয়ার্ধে খেলা গোছানোর চেষ্টা করা লেস ব্লুজরা শুরুতেই গোল হজম করে। ওই গোলটি করেন স্পেনের রাইট ব্যাক পেদ্রো পোরো। তাকে গোল করান স্পেনের নাম্বার টেন দানি অলমো।

পেদ্রো পোরোর গোল উদযাপন। ছবি: এপিজোড়া গোল হজম করেও ফ্রান্স আক্রমণে ধার বাড়াতে পারেনি। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণও নিতে পারেনি স্পেনের কাছ থেকে। ম্যাচের পরিসংখ্যান হয়তো বলছে, ১৪টি আক্রমণ ফ্রান্স তুলেছে, ৪৯ শতাংশ বল দখলে রেখে গোলে শট নিয়েছে চারটি। কিন্তু স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমনকে পরীক্ষার নেওয়ার মতো দুটির বেশি শট ছিল না। বরং স্পেন ১০টি আক্রমণ তুললেও এগিয়ে যাওয়ার মতো সুযোগগুলো ছিল স্পষ্ট।

পুরো ম্যাচে স্পেনের ‘ডাইরেক্ট তিকিতাকা’ বা লা ফুয়েন্তের ‘ফ্যামিল ফুটবলের’ কাছে পরাস্ত হয়েছে ফ্রান্স। বিশ্বের সেরা আক্রমণভাগকে বোতনবন্দী করতে লা রোজাদের পদ্ধতিগত ‘পজিশনাল এন্টি ফুটবল’ রেখেছে বড় ভূমিকা। দুই গোলের লিড নেওয়ার পর স্পেন ছোট পাসে আক্রমণে উঠেছে। কিন্তু অধিকাংশ আক্রমণের সমাপ্তি না টেনে লম্বা ব্যাক পাসে বারবার ফ্রান্সের ছন্দ ছেদ করেছে। মিডফিল্ডের নিয়ন্ত্রণ হারানো ফ্রান্স ফুয়েন্তের কৌশল ভাঙার কোন কুল-কিনারাই করতে পারেনি।

আরও পড়ুন

×