বাফুফের হাতে কমলাপুর ও সিলেট স্টেডিয়াম, ফুটবলের বাইরে অন্য খেলাও হবে
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১২:১২
আনুষ্ঠানিকভাবে বাফুফের কাছে কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহি মোস্তফা কামাল স্টেডিয়াম ও সিলেট জেলা স্টেডিয়াম হস্তান্তর করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। স্টেডিয়াম দুটির ব্যবস্থাপনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তার দায়িত্ব এখন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের হাতে। মঙ্গলবার দুই পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক চুক্তি হয়েছে। এ দুটি মাঠে শুধু ফুটবল হবে না; এনএসসির অনুমতি নিয়ে অন্যান্য ক্রীড়া ফেডারেশনও এ দুটি স্টেডিয়াম ব্যবহার করতে পারবে।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে মঙ্গলবার আয়োজিত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমরা এ ধরনের কাজ করতে চাই। আমরা ফিফা, এএফসি ও স্পন্সরদের অর্থে কাজ সম্পন্ন করব এবং এনএসসির অনুমতি নিয়ে করব। এই পয়েন্টগুলো স্পষ্টভাবে ক্লিয়ার করার জন্য ভালো। কারণ, অনেক সময় মিসকমিউনিকেশন হয়ে যায়। স্টেডিয়াম সব ফেডারেশনের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্তভাবে দেওয়া হোক। মেইনটেন, সিকিউরিটি দেখবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন।
এনএসসি অন্য কোনো ফেডারেশনকে স্টেডিয়াম ব্যবহারের অনুমতি দিলে বাফুফে তাদের সহযোগিতা করবে। এ স্টেডিয়ামগুলো সব ধরনের খেলার জন্য; কোনো একটা ফেডারেশনের জন্য না।’
কমলাপুর ও সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে স্থাপনার ব্যবস্থাপনায় বাফুফে সফল হলে ভবিষ্যতে অন্যান্য ক্রীড়া ফেডারেশনকেও বিভিন্ন ক্রীড়া স্থাপনার দায়িত্ব দেওয়ার কথা ভাবতে পারে এনএসসি। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুনভাবে পথচলা শুরু হয়েছে। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ছয় মাসে ক্রীড়াক্ষেত্রে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা ভবিষ্যতে দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নেবে বলে তিনি মনে করেন। আমরা জিরো থেকে শুরু করেছি। দেশের স্টেডিয়ামগুলোর পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে ইতোমধ্যে এনএসসি একটি নকশা ও কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। জাতীয় স্টেডিয়াম থেকে শুরু করে কমলাপুর স্টেডিয়াম বা সিলেটসহ সারাদেশের স্টেডিয়ামগুলোতে যাতে ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ ফিরিয়ে আনা যায়, সেদিকে আমরা নজর দিচ্ছি।’
স্টেডিয়ামগুলোর পরিবেশ ও কাঠামোগত উন্নয়নের কথা বলতে গিয়ে সিলেট স্টেডিয়ামে আধুনিক হাইব্রিড ঘাস বসানোর পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন আমিনুল হক। তবে দেশজুড়ে ক্রীড়া স্থাপনাগুলোর এই উন্নয়নযজ্ঞ পুরোপুরি শেষ হতে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন তিনি।