ক্যারিয়ার গড়তে বাস্তব ধারণা আবশ্যক
টেকলাইফ ডেস্ক
প্রকাশ: ০২ নভেম্বর ২০২৬ | ১৩:১৩
নিজের ব্যবসা শুরু, ভালো চাকরি পাওয়া কিংবা বিদেশে উচ্চশিক্ষার পথ খোঁজা– তরুণদের এমন নানা স্বপ্ন পূরণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়ে এআই অ্যান্ড বিয়ন্ড ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেসিআই ঢাকা ফাউন্ডার্সের উদ্যোগে এতে অংশ নেন তিন শতাধিক শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রার্থী ও তরুণ পেশাজীবী।
উদ্যোক্তার মূল লক্ষ্য ছিল একটাই, এআইকে শুধু আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না করে তরুণদের হাতে কাজের হাতিয়ার হিসেবে তুলে দেওয়া।
কীভাবে এআই ব্যবহার করে দৃষ্টিনন্দন সিভি ও লিংকডইন প্রোফাইল তৈরি করা যায়, কীভাবে কম সময়ে বেশি কাজ করা যায় ও এআইকে সৃজনশীল কাজের সঙ্গী করা যায়, তা সামনে আনা হয়। কেউ এআইনির্ভর পণ্য তৈরি করছেন, কেউ এআই দিয়ে গ্রাহকদের সেবা দিচ্ছেন– এসব অভিজ্ঞতা উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা তরুণদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন।
আফসানা দিয়া বলেন, তরুণদের মেধার কোনো ঘাটতি নেই; ঘাটতি শুধু সঠিক দিকনির্দেশনার। কমবেশি সবার হাতেই এখন স্মার্টফোন আর এআই টুল পৌঁছে গেছে। এসব কীভাবে নিজের ক্যারিয়ারের কাজে লাগাতে হয়, তা অনেকে ঠিকঠাক বোঝেন না। আমরা চেয়েছি, সবাই যেন অন্তত একটি কাজ এআই দিয়ে ভালোভাবে করতে পারেন, সে চেষ্টা করা। স্টার্টআপ, ব্যবসার আইডিয়া, চাকরির প্রস্তুতি ও বিদেশে এ বিষয়ে কীভাবে পড়াশোনা করা যায়, এসব বিষয়ে সবাই আগ্রহী। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রসঙ্গে আফসানা দিয়া বলেন, সামিট আমাদের জন্য সূচনা মাত্র। আগামীতে আমরা তরুণ-তরুণীর দক্ষতা বাড়াতে এমন সব উদ্যোগ নিতে চাই, যেন বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগোতে পারে।
বিজকোপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাহিদ হাসান, ইফোলির প্রতিষ্ঠাতা জাহাঙ্গীর আলম ও ইংলিশ থেরাপির প্রতিষ্ঠাতা সাইফুল ইসলাম ছাড়াও নিয়োগকর্তারা বলেছেন, এআইর যুগে একজন তরুণের কাছে প্রতিষ্ঠান কী ধরনের দক্ষতা ও মানসিকতা প্রত্যাশা করে আর কীভাবে শুরু থেকে নিজেকে আলাদা করে তোলা যায়– এ বিষয়ে বাস্তব ধারণা তৈরি করতে হবে।
- বিষয় :
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা