ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬

কারসাজি এড়াতে পরীক্ষিত ৫ কৌশল

কারসাজি এড়াতে পরীক্ষিত ৫ কৌশল
×
×

মুস্তাফা তৌহিদ

প্রকাশ: ০২ নভেম্বর ২০২৬ | ১৩:১২

সামাজিক মাধ্যম এখন যেন কারসাজির অবাধ অখড়া। বিশ্বাসের সুযোগ যেন নেই বললেই চলে। চারপাশে প্রতারক চক্রের অন্তহীন ছলচাতুরীর কৌশলের ছড়াছড়ি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগের চেয়ে অনেক বেশি সতর্ক না হলে যে কোনো সময় পড়ে যেতে পারেন অপ্রত্যাশিত ফাঁদে।

সাইবার হামলা থেকে সুরক্ষা পেতে সাধারণ মানুষকে কিছু সতর্কতা অবশ্যই মেনে চলতে হবে। অজানা লিঙ্ক, সন্দেহজনক সফটওয়্যার বা যে কোনো এআই মডেল সম্পর্কে ভালোভাবে না অবহিত হয়ে ব্যবহার করা উচিত নয়। সব অ্যাকাউন্টে জোরালো পাসওয়ার্ড ও দুই ধাপের পরিচয় যাচাই ব্যবস্থা সক্রিয় করা এখন আবশ্যক।

ব্যক্তিগত ছবি, পরিচয়পত্র, ব্যাংকের তথ্য কিংবা ওটিপি অপরিচিত বা বিশ্বস্ত নয় এমন এআই পরিষেবায় দেওয়া উচিত নয়। জরুরি তথ্যের আলাদা ব্যাকআপ রাখলে সাইবার হামলা হলেও সেসব উদ্ধার করা সহজ হয়। কোনো অ্যাকাউন্ট আক্রান্ত হয়েছে বলে সন্দেহ হলে দ্রুত পাসওয়ার্ড বদলে নেওয়া ও সক্রিয় লগইন সেশন বন্ধ করে দিতে হবে।

সন্দেহ থেকে সতর্ক

প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপে বা মেসেজে আসা সন্দেহজনক বার্তা সম্পর্কে সতর্ক থাকা জরুরি। কোনো বার্তায় পিন, পাসওয়ার্ড বা ওটিপি চাওয়া হলে তা প্রতারণার প্রথম প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। আবার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয় দেখিয়ে বা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার চাপ তৈরি করে অপচক্র ফাঁদ তৈরি করতে পারে। তাই এমন কোনো বার্তা পেলে হুড়োহুড়ি করে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত নয়।

পরিষেবা নম্বর যাচাই

দ্বিতীয় ধাপে সন্দেহজনক বার্তার সত্যতা অন্য মাধ্যমে যাচাই করতে হবে। ব্যাংক বা ক্রেডিট কার্ড সংস্থার নাম করে কোনো বার্তা এলে ওই সংস্থার দাপ্তরিক ওয়েবসাইট, অ্যাপ বা যাচাই করা গ্রাহক পরিষেবা নম্বরের মাধ্যমে যোগাযোগ করা উচিত। বার্তায় প্রেরণ করা ফোন নম্বরে সরাসরি যোগাযোগ করলে প্রতারক চক্রের ফাঁদে পড়ার শঙ্কা থেকে যায়।

বিভ্রান্ত করার লিঙ্ক

তৃতীয় কৌশল হলো হোয়াটসঅ্যাপে বা  ইমেইল আসা অজ্ঞাত লিঙ্ক ও সংযুক্তি (অ্যাটাচমেন্ট) ফাইল খোলার আগে সতর্ক হতে হবে। বিশেষ কোনো লিঙ্কে ক্লিক করে লগইন করতে অনুরোধ করা হলে বা ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্য চাওয়া হলে তার সত্যতা আগে জানতে হবে। অনেক সময় পরিচিত সংস্থার নাম ও লোগো ব্যবহার করেও নকল ওয়েবসাইট সাজানো হয়।

সব অ্যাকাউন্টে একই লগইন নয়

সবকটি জরুরি অ্যাকাউন্টে জোরালো ও ভিন্ন ধাঁচের পাসওয়ার্ড দিতে হবে। সাধারণ পাসওয়ার্ড যেমন ১২৩৪৫৬, জন্ম তারিখের মতো সহজে অনুমান করা যায়, এমন পাসওয়ার্ড এড়িয়ে যেতে হবে।একই পাসওয়ার্ড সব অ্যাকাউন্টে ব্যবহার করা নিরাপদ নয়। অন্যদিকে মাল্টিফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন সক্রিয় করা ও কোনো অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা নিয়ে সন্দেহ সবার আগে এবং দ্রুত পাসওয়ার্ড বদলে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুন

×