সৌরবিদ্যুতে চলবে ডেটা সেন্টার
টেকলাইফ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০২ নভেম্বর ২০২৬ | ১৩:১৪
সিলেট ডেটা সেন্টারে ৩২৫ কিলোওয়াট-পিক সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র সচল করেছে স্থানীয় অপারেটর। এটি তাদের নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে দৃশ্যমান পদক্ষেপ। এ প্রকল্পে ৪৫০টি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সোলার প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশের যে কোনো ডেটা সেন্টারে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মধ্যে সর্ববৃহৎ।
কমবে কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গমন
জানা গেছে, নতুন সক্রিয় হওয়া এই সোলার প্লান্ট থেকে বছরে ৩০০ মেগাওয়াট-ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। এতে প্রতিবছর ১৮৮ টন কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গমন কমবে। ডেটা সেন্টারের পরিচালন কার্যক্রমে নবায়নযোগ্য শক্তি কাজে লাগানো ও পরিবেশগত প্রভাব কমিয়ে আনার মাধ্যমে ডিজিটাল সংযোগ ও সেবার ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটানো অপারেটরের লক্ষ্য। গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান বলেন, বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরের ধারা চলমান থাকায় আমরা এমন অবকাঠামো তৈরির গুরুত্ব অনুভব করছি, যা শুধু নির্ভরযোগ্য ও ভবিষ্যৎ-উপযোগীই হবে না; বরং পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধ থাকবে।
২০১৯ সালের ভিত্তি বছরের তুলনায় ২০৩০ সালের মধ্যে আমরা কার্বন নির্গমন ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনতে কাজ করছি। এ লক্ষ্য অর্জনে নিজেদের ক্রমাগত পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো ও কার্যক্রমজুড়ে টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক। সিলেট ডেটা সেন্টারের সোলার প্লান্টটি এই অগ্রযাত্রায় এক প্রায়োগিক পদক্ষেপ, যা কয়েক কোটি গ্রাহকের পরিষেবায় নিয়োজিত ডিজিটাল অবকাঠামোকে জোরালো করার সঙ্গে আমরা কীভাবে পরিবেশগত প্রভাব কমাতে পারি, তা তুলে ধরছে। সমাজ, গ্রাহক ও পরিবেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সুফল নিশ্চিত করে– এমন টেকসই ও উদ্ভাবনী সমাধানে আমরা বিনিয়োগ করব।
জেডটিই বাংলাদেশের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার মাও জুন্যং বলেন, কোনো ডেটা সেন্টারে বাংলাদেশের বৃহত্তম সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালুর এ প্রকল্প দৃশ্যমান করে কীভাবে মানোন্নত প্রযুক্তি ও নবায়নযোগ্য শক্তি একত্র হয়ে জ্বালানি-সাশ্রয় ও টেকসই ডিজিটাল অবকাঠামো গড়ে তুলতে পারে। ডেটা সেন্টারের কার্যক্রমে উচ্চদক্ষতাসম্পন্ন সোলার সল্যুশন যুক্ত করার মাধ্যমে আমরা কার্বন নির্গমন কমাতে সহায়তা করছি। যৌথ এই উদ্যোগ শিল্প খাতে উদাহরণযোগ্য। এতে বাংলাদেশের জন্য পরিবেশবান্ধব ও টেকসই ডিজিটাল ভবিষ্যতের পথ সুগম হবে।
- বিষয় :
- ডেটা সেন্টার