চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো চলন্ত সিঁড়ির পদচারী সেতু চালু
ছবি: সমকাল
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ৩০ জানুয়ারি ২০২০ | ০৮:১৫ | আপডেট: ৩০ জানুয়ারি ২০২০ | ০৮:২৩
চট্টগ্রামে পথচারী পারাপারের জন্য প্রথমবারের মতো চলন্ত সিঁড়ির পদচারী সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরের জাকির হোসেন সড়কের ডায়াবেটিক হাসপাতালের সামনে পদচারী সেতুটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। চার কোটি টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, জাকির হোসেন সড়ক নগরের একটি ব্যস্ততম সড়ক। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন দূরপাল্লার বাসসহ নগরের বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে থাকে। এ সড়কের দু'পাশে রয়েছে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও হাসপাতাল। আগে এখান দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থী ও রোগীরা রাস্তা পার হতেন। দীর্ঘদিন ধরে এখানে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবি ছিল সাধারণ মানুষের। তাই এটি নির্মাণ করা হয়েছে।
সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, চলন্ত সিঁড়ি দু'টি জাপানি প্রতিষ্ঠান থেকে কেনা হয়েছে। রাস্তার দু'পাশে চলন্ত সিঁড়ি সেতুর সঙ্গে সংযোজিত করা হয়েছে। ফলে দু'পাশ থেকে সেতুতে ওঠার ক্ষেত্রে চলন্ত সিঁড়ি ব্যবহার করতে পারবেন পথচারীরা। আর নামার জন্য সাধারণ সিঁড়ি ব্যবহার করতে হবে। রাস্তা থেকে সেতুর উচ্চতা ৬ দশমিক ৮ মিটার। সেতুর নিচ দিয়ে দোতলা বাস, লরি, ও মালবাহী যেকোনো যানবাহন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবে। সেতুর দৈর্ঘ্য ৬৫ ফুট। প্রস্ত নয় ফুট। চলন্ত সিঁড়ির দৈর্ঘ্য পাঁচ ফুট। এটি প্রাথমিকভাবে চালু থাকবে সকাল আটটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত। সেতুটি এক বছর রক্ষণাবেক্ষণ করবে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। পরে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে সিটি করপোরেশনের।
সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু সালেহ সমকালকে জানান, আধুনিক মানের এই এসকেলেটর জাপানি কোম্পানি ফুজি থেকে কেনা হয়েছে। এটি আউটডোর এসকেলেটর। বৃষ্টিতে ভিজলেও এটি নষ্ট হবে না। যদিও উপরে ছাউনির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সেতুটির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন হিরণ ও আবিদা আজাদ, অতিরিক্ত প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু সালেহ ও ঝুলন কুমার দাশ।
- বিষয় :
- চট্টগ্রাম
- পদচারী সেতু
- চলন্ত সিঁড়ি
