ক্লিনিকের ছাদে নিয়ে নার্সকে ধর্ষণের অভিযোগ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে
প্রতীকী ছবি
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ০৯:২৫
সাতক্ষীরায় কোমলপানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে নার্সকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
শহরের শিমুল ক্লিনিকে এ ঘটনার দুইদিন পর ওই নারীকে আটকে রাখার খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
অভিযুক্ত চিকিৎসকসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি মামলা হয়েছে। পুলিশ চিকিৎসক রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজকে গ্রেপ্তার করেছে।
পুলিশ জানায়, সদর উপজেলার ওই মেয়েটি ১৫ দিন আগে শহরের পলাশপোল খুলনা রোড এলাকার শিমুল ক্লিনিকে নার্সের চাকরি নেন। চাকরিতে যোগদানের পর প্রায়ই কুপ্রস্তাব দিতেন চিকিৎসক রিয়াজ। এতে রাজি না হওয়ায় তাকে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত ১০টার দিকে কৌশলে কোমলপানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক পান করান তিনি।
একপর্যায়ে ওই নার্স অচেতন হয়ে পড়লে চিকিৎসক রিয়াজ ও কর্মচারী মাহমুদ মেয়েটিকে ক্লিনিকের তিনতলা থেকে ছাদের ওপর নিয়ে যান। অচেতন অবস্থায় তাকে ধর্ষণ করেন চিকিৎসক। রাত সাড়ে ৩টার দিকে জ্ঞান ফেরার পর মেয়েটি বাইরে আসার চেষ্টা করলে তাকে একটি কক্ষে আটকে রাখেন ক্লিনিকের মালিক শহিদুল ও তার ছেলে মিঠুন।
ওই চিকিৎসকের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য দু'দিন তাকে আটকে রাখা হয়। এ সময় বাইরের কারও সঙ্গে যোগাযোগও করতে দেননি তারা।
এদিকে, দুইদিন ধরে মেয়েটির কোনো খোঁজ না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি সদর থানায় পুলিশকে জানান। শুক্রবার রাতে সদর থানা পুলিশ শিমুল ক্লিনিকে অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করায়। এ ঘটনায় মেয়েটি চিকিৎসক রিয়াজ, ক্লিনিকের মালিক শহিদুল ও তার ছেলে মিঠুনসহ অজ্ঞাতনামা ২-৩ জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা করেছেন।
সদর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এরই মধ্যে অভিযুক্ত চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
- বিষয় :
- সাতক্ষীরা
