ঢাকা মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

টেকনাফ সীমান্তে স্মার্ট ডিজিটাল সার্ভেইল্যান্স স্থাপন

টেকনাফ সীমান্তে স্মার্ট ডিজিটাল সার্ভেইল্যান্স স্থাপন
×

টেকনাফ সাবরাং বিজিবির চৌকি সংলগ্ন সীমান্ত এবং স্থাপিত স্মার্ট ডিজিটাল সার্ভেইল্যান্স টাওয়ার ঘুরে পরিদর্শন করেছে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল -সমকাল

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৬ মার্চ ২০২০ | ০৮:৪৮ | আপডেট: ০৬ মার্চ ২০২০ | ০৯:৩২

বাংলাদেশ-মিয়ানমারের কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে স্থাপিত স্মার্ট ডিজিটাল সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড ট্যাকটিক্যাল বর্ডার রেসপন্স সিস্টেম পরির্দশন করেছে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল। 

শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে টেকনাফ সাবরাং বিজিবির চৌকি সংলগ্ন সীমান্ত এবং স্থাপিত র্স্মাট ডিজিটাল সার্ভেইল্যান্স টাওয়ার ঘুরে দেখে প্রতিনিধি দলটি।

প্রতিনিধি দলে ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (আনসার ও সীমান্ত) মোহাম্মদ সাহেদ আলী, বর্ডার র্গাড বাংলাদের (বিজিবি) অতিরিক্ত মহা পরিচালক (অপারেশন ও প্রশিক্ষণ) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খোন্দকার ফরিদ হাসান, কক্সবাজার রিজিয়ন সদর দপ্তরের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান, টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান, উপ-অধিনায়ক মেজর রুবায়াৎ কবীর, অপারেশন মেজর মোহাম্মদ আসাদ প্রমুখ। 

এর আগে প্রতিনিধি দল টেকনাফ ২ ব্যাটলিয়ন সদর দপ্তরে বর্ডার রেসপন্স সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ কক্ষে এসব বিষয়ে বিভিন্ন দিক যাচাই করেন।  

লে. কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান বলেন, প্রথম ধাপে টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ পয়েন্ট হতে সাবরাং পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার এলাকা এ প্রকল্পের আওয়ায় এসেছে। এই সব এলাকায় এর সুফলও আসতে শুরু করেছে। দ্রুতগতিতে কাজ চলছে। টেকনাফ হতে বান্দরবানের বাইশফাড়িঁ সীমান্ত পর্যন্ত প্রায় ৫৫ কিলোমিটার বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা এর আওতায় আসবে। এর ফলে মিয়ানমার থেকে আসা মাদক, রোহিঙ্গা ঠেকানো সম্ভব হবে। পাশপাশি চোরাচালনাসহ মানবপাচার প্রতিরোধ ও সীমান্ত সুরক্ষিত হবে। 

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (আনসার ও সীমান্ত) মো. সাহেদ আলী বলেন, ‘সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় বিজিবি প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। এটি যদি কার্যকরভাবে চলমান থাকে তাহলে দেশের গোটা সীমান্তে তা সম্প্রসারণ করা হবে। সীমান্তে স্মার্ট ডিজিটাল সার্ভেইল্যান্স স্থাপিত প্রমাণিত হয় এটি ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অগ্রযাত্রায় একটি মাইল ফলক। এর দাবিদার শুধু প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা। মূলত সরকার প্রধানের নির্দেশে সীমান্তে মাদক, চোরাচালান, মানবপাচার ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ রোধে এই কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। তাছাড়া এটি সীমান্ত সুরক্ষায় খুব কাজে আসবে। এটা যদি ইফেক্টিভ হয়, এখান থেকে সুফল পাই; তাহলে সমগ্র বাংলাদেশে এই সিস্টেমের আওতায় নিয়ে আসব।

তিনি বলেন, ‘প্রথমত স্পর্শকাতর বর্ডার যেখানে আছে সেখানে আগে কাজটা হবে, এর পাশাপাশি যশোর জেলার পুকখালীতে ১০ কিলোমিটার আমরা সার্ভেইল্যান্স সিস্টেমের আওতায় এনেছি। 

উল্লেখ্য, মাদকের আগ্রাসন ও রোহিঙ্গা প্রতিরোধকল্পে সীমান্তে বিজিবির নজরদারী জোরদারের উদ্দেশে টেকনাফের বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে বর্ডার সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম টেকনাফ-০১ এর আওতায় স্থাপিত ‘স্মার্ট ডিজিটাল সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড ট্যাকটিক্যাল বর্ডার রেসপন্স সিস্টেম’ বসানো হয়েছে সীমান্তে।

আরও পড়ুন

×