২০ কৃষকের নলকূপ আ. লীগ নেতার নামে
ফাইল ছবি
পাবনা অফিস
প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৩ | ১৮:০০
ভাঙ্গুড়ায় ২০ কৃষকের টাকায় স্থাপন করা গভীর নলকূপের লাইসেন্স নিজের নামে করে নিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ। পরে কৃষকদের মালিকানা থেকে বাদ দিয়েছেন। মালিকানা ফিরে পেতে ভুক্তভোগী কৃষকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
গভীর নলকূপের একজন অংশীদার কামরুজ্জামান বলেন, ‘সবাই টাকা দিয়ে গভীর নলকূপ করলাম। এখন শামীম আহমেদ নিজের বলে দাবি করছেন। কারও কাছে কোনো অভিযোগ করে লাভ হবে না বলেও দাম্ভিকতা দেখাচ্ছেন।’
অভিযোগ অস্বীকার করে শামীম আহমেদ বলেন, ‘নলকূপ আগে যাঁর নামে ছিল, তিনি মারা যাওয়ার পর সবাই মিলে আমার নামে করে দিয়েছে। এতে আমার কী দোষ?’
এ বিষয়ে উপজেলা বিএডিসি অফিসের সদ্য বিদায়ী উপসহকারী প্রকৌশলী ইয়াকুব আলী সমকালকে বলেন, ‘আমি জানি কয়েকজন কৃষক মিলে এই নলকূপ বসিয়েছেন। তবে সমিতির নামে লাইসেন্স না হয়ে লাইসেন্সটি হয়ে গেছে শামীম আহমেদের নামে। এখন আমার কিছু করার নেই। কৃষকরা অভিযোগ দিলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যবস্থা নিতে পারেন।’
ইউএনও ও উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি নাহিদ হাসান খান বলেন, সব মালিকের সঙ্গে সমন্বয় করে শামীম আহমেদ প্রকল্প চালাবেন– এ শর্তে তাঁর নামে লাইসেন্স দেওয়া হয়। এখন তিনি শর্ত মানছেন না। অভিযোগ পেয়ে সমঝোতার উদ্দেশ্যে কৃষক ও শামীম আহমেদকে ডাকা হয়েছিল। কিন্তু তিনি আসেননি। এখন তদন্ত করা হবে। প্রয়োজন হলে লাইসেন্স বাতিল করা হবে।
- বিষয় :
- আওয়ামী লীগ
- গভীর নলকূপ
