চট্টগ্রাম বন্দরে তুলার বদলে এলো বালু
ফাইল ছবি
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০১৯ | ১০:১২
চীন থেকে আমদানি করা ৩০ লাখ টাকার চালানে স্ট্যাপল ফাইবার বা তুলার বদলে এসেছে ৯১৬ ব্যাগভর্তি ২০ টন বালু।
মঙ্গলবার নগরের ইপিজেড এলাকার বেসরকারি কিউএনএস ডিপোতে ৪০ ফুট লম্বা কনটেইনার খোলার পর বিষয়টি নিশ্চিত হন কাস্টম হাউসের কর্মকর্তারা। এটি অর্থ পাচার, চোরাচালান নাকি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের ভুল বা প্রতারণা তা খতিয়ে দেখছে কাস্টম কর্তৃপক্ষ। এসব বালুর নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাব টেস্টে পাঠানো হচ্ছে।
এদিকে মেয়াদোত্তীর্ণ ১৩ টন কাঁচা ফুচকার আরেকটি চালান আটক করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। মালয়েশিয়া থেকে চালানটি আসে চট্টগ্রাম বন্দরে। মঙ্গলবার কায়িক পরীক্ষা শেষে কাস্টম হাউসের প্রিভেন্টিভ টিম এসব কাঁচা ফুচকা মেয়াদোত্তীর্ণ বলে প্রতিবেদন দেওয়ার পর চালানটি জব্দ করা হয়।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের উপকমিশনার মো. নুরউদ্দিন মিলন জানান, নগরের কোতোয়ালি থানার ৮২৯, জুবিলি রোডের আনজুমান শপিং কমপ্লেক্সের মেসার্স সৈয়দ ট্রেডার্সের নামে চালানটি চীন থেকে বন্দরে আসে। চালানটি খালাসের দায়িত্বে ছিল আগ্রাবাদ বাদামতল এলাকার সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান এসজিএস কোম্পানি। গত ১৬ অক্টোবর চালানটির বিল অব এন্ট্রি দাখিল করা হয় কাস্টম হাউসে। চালানটির বিপরীতে ৫ শতাংশ হারে শুল্ক্ক কর পরিশোধ করা হয় এক লাখ ৫৭ হাজার টাকা। চালানটি শতভাগ কায়িক পরীক্ষার পর ৯১৬ ব্যাগে ২০ টন বালু পাওয়া যায়।
অন্যদিকে মেয়াদোত্তীর্ণ ১৩ টন কাঁচা ফুচকার চালানটি আমদানি করে যশোরের কাঁঠালিয়ার মেসার্স হাসান ব্রাদার্স। এটি খালাসের দায়িত্বে ছিল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট কুমিল্লা শিপিং।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানটি কাস্টম হাউসের অডিট ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এআইআর) টিম পরীক্ষা করে দেখে।
- বিষয় :
- চট্টগ্রাম বন্দর
