ঢাকা বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

গাজীপুরে করোনা 'মুক্ত' এলাকার মসজিদ খোলার নির্দেশ মেয়রের

গাজীপুরে করোনা 'মুক্ত' এলাকার মসজিদ খোলার নির্দেশ মেয়রের
×

ফাইল ছবি

গাজীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২০ | ১০:৪০ | আপডেট: ২৮ এপ্রিল ২০২০ | ১১:৪৩

গাজীপুর মহানগরের যেসব এলাকায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নেই সেসব এলাকায় আগামী শুক্রবার থেকে মসজিদগুলো সব মুসল্লির জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

মঙ্গলবার এক ভিডিও বার্তায় এ নির্দেশ দেন তিনি।

মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গাজীপুর মহানগরীতে মাত্র কয়েকটি এলাকায় করোনাভাইরাস রয়েছে। বাকিগুলো পার্শ্ববর্তী উপজেলায়।যেহেতু গাজীপুরের গার্মেন্টস কারখানাগুলো খুলে দেয়া হয়েছে তাই এ রমজান মাসে এখন আর মসজিদ অল্পসংখ্যক মুসল্লির জন্য সীমাবদ্ধ রাখার  কোনো প্রয়োজন  নেই।

তিনি বলেন, শুক্রবারের জুমার নামাজ ও রমজানের তারাবির নামাজে মুসল্লিরা অংশ নিতে পারবেন। এতে সিটি কর্পোরেশনের কোনো বাধা থাকবে না। যারা অসুস্থ নয় এবং যেসব ওয়ার্ডে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি পাওয়া যায়নি সে সব এলাকার মসজিদে যদি মুসল্লিরা নামাজ পড়তে চান তাহলে আমাদের পক্ষ  থেকে  কোনো সমস্যা হবে না।

মেয়র বলেন, তবে ওইসব এলাকায় যেন বাইরে  থেকে  কোনো  লোক করোনার উপসর্গ নিয়ে আসতে না পারে  সে দিকে  খেয়াল রাখতে হবে।

মেয়র জাহাঙ্গীর বলেন, গাজীপুরের গার্মেন্টস ও আশপাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো  যেহেতু  খোলা হয়েছে  সেহেতু এ এলাকার মানুষকে আর বন্দি রাখা ঠিক হবে না। ওয়ার্ডভিত্তিক ধানকাটাসহ অন্যান্য কৃষিকাজ  যেগুলো আছে তা  যেন তারা করতে পারে।

করোনা পরিস্থিতির কারণে মসজিদে নির্দিষ্ট সংখ্যক মুসল্লি নিয়ে নামাজ পড়ার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।  মসজিদে জামাত চালু রাখার প্রয়োজনে খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমরা মিলে পাঁচ ওয়াক্তের নামাজ অনধিক পাঁচ জন এবং জুমার জামাতে অনধিক ১০ জন শরিক হতে পারবেন। এছাড়া ১০ জন মুসল্লি ও দুই জন হাফেজসহ  মোট ১২ জন মসজিদে এশা ও তারাবির নামাজে অংশ  নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

মসজিদে মুসল্লির প্রবশ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সরকারের নির্বাহী আদেশ থাকার পর কীভাবে এই আদেশ দিলেন  সে  সম্পর্কে গণমাধ্যমকে মেয়র বলেন, সরকারের আদেশের ব্যত্যয় ঘটবে না। নির্দেশনা হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার। সব স্বাস্থ্যবিধি মানলে, পাঁচবার স্যাভলন দিয়ে মসজিদ ধুয়ে নিলে, সামাজিক দূরত্ব বজায়  রেখে যত জন ধরবে ঠিক তত জনই নামাজ পড়তে এলে কারও আপত্তি থাকার কথা না। সরকারের নির্দেশের ব্যত্যয় ঘটবে না।

মসজিদে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের জন্য আমি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে কমিটি করে দিয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, যার যার এলাকার মসজিদে নামাজ পড়বেন,  কেউ এলাকার বাইরে যাবেন না।

আরও পড়ুন

×