ঢাকা বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

হোমনায় বাড়ি বাড়ি খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিলেন এমপি সেলিমা আহমাদ

হোমনায় বাড়ি বাড়ি খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিলেন এমপি সেলিমা আহমাদ
×

ত্রাণ নিয়ে মানুষের বাড়ি সেলিমা আহমাদ এমপি- সমকাল

বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২০ | ০৮:২১ | আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০২০ | ০৮:৩৯

করোনাভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের বাড়ি বাড়ি খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিলেন কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনের সংসদ সদস্য সেলিমা আহমাদ।

মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কুমিল্লার হোমনার ৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার বিভিন্ন গ্রামে তিনি ঘুরে ঘুরে এ সহায়তা দেন তিনি ।

এসময় তার সঙ্গে ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তার ব্যক্তিগত অর্থায়নে দেয়া খাদ্য সহায়তা ঠিকভাবে পৌঁছেছে কিনা সেটি দেখা ছাড়াও এলাকার মানুষেকে ঘরে থাকার আহ্বান জানান এমপি সেলিমা আহমাদ।

কৃষকরা তাদের জমির ধান কাটা নিয়ে সমস্যায় আছেন কিনা তা তিনি জানতে চান। প্রশাসন এবং স্বাস্থ্য কর্মীরা তাদের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করতে পারছেন কিনা বা তাদের কোন সমস্যা আছে কিনা তাও জানতে চান এমপি সেলিমা আহমাদ। 

ব্যক্তিগত অর্থায়নে তার নিবার্চনী এলাকায় ইতিমধ্যে ১৮ হাজার কর্মহীন ও অসচ্ছল পরিবারকে খাবার সামগ্রী ও রমজান উপলক্ষে ১৪ হাজার পরিবারকে ইফতার সামগ্রী দেন সেলিমা আহমাদ। প্রতিদিন সংসদ সদস্যের বাড়ি থেকে বিভিন্ন গ্রামে গাড়িতে ভরে ত্রাণ পাঠানোর কাজও তদারকি করেন তিনি।

হটলাইনের মাধ্যমে প্রতিদিন খাদ্যসহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে এলাকার বিভিন্ন হতদরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মধ্যে। এই কাজটি করছেন উপজেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এডভোকেট নজরুল ইসলাম বলেন, সেলিমা আহমাদ মেরী আপা মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পযর্ন্ত উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার সবকয়টি গ্রামে গিয়েছেন খোঁজখবর নিয়েছেন এলাকার মানুষের, খাদ্য সাগ্রী বিতরণ করেছেন,কৃষকদের জমির ধান কাটার ব্যবস্থা করছেন। আপা ইতিমধ্যে প্রায় বিশ হাজার হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা করেছেন।

সেলিমা আহমাদ এমপি বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া প্রায় ২০ হাজার পরিবা কে খাদ্যসহায়তা ও ১৪হাজার পরিবারকে ইফতার সামগ্রী উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছে আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে। এছাড়া আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা ও প্রবাসীরা বিভিন্ন গ্রামে খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন। হট লাইনে ফোন করে কেউ খাদ্য সহায়তা চাইলে পৌঁছ দেওয়া হচ্ছে এবং কোন কৃষক আমাদের কাছে সহায়তা চাইলে আমরা তাদের জমির ধান কেটে দিচ্ছি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের দিয়ে।

তিনি বলেন, ইতিপূর্বে আমরা যে ত্রাণ দিয়েছি সেটি সঠিকভাবে পৌঁছেছে কিনা, প্রকৃতপক্ষে মানুষের কল্যাণ হচ্ছে কিনা তা সরজমিনে দেখা এবং মানুষের সাথে ব্যাক্তিগত ভাবে কথা বলার জন্যে নির্বাচনী এলাকার সব গ্রামেই আমি গিয়েছি। মোট কথা হ্নদয়ের তাগিদ থেকেই ছুটে গিয়েছি আমি এলাকার মানুষের কাছে।

আরও পড়ুন

×