ঢাকা শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

ফরিদপুরে ‌‘পর্দা কেলেংকারি’: দুই আসামির জামিন নাকচ

ফরিদপুরে ‌‘পর্দা কেলেংকারি’: দুই আসামির জামিন নাকচ
×

ফাইল ছবি

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৯ মে ২০২০ | ০৮:২২ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আলোচিত পর্দা কেলেংকারির ঘটনায় দুদকের করা মামলায় আসাামি ঠিকাদার আবদুল্লাহ আল মামুন ও জাতীয় বক্ষব্যাধি হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মুন্সী সাজ্জাদ হোসেনকে জামিন দেননি হাইকোর্ট। বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিমের নেতৃত্বে হাইকোর্টেও ভার্চুয়াল বেঞ্চ মঙ্গলবার শুনানি শেষে তাদের জামিন নামঞ্জুর করেন। এর ফলে তাদেরকে আপাতত কারাগারেই থাকতে হচ্ছে।

মঙ্গলবার হাইকোর্টের ভার্চুয়াল বেঞে আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিমকোর্ট বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট এ এম আমিন উদ্দিন। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে জামিনের তীব্র বিরোধীতা করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট শাহীন আহমেদ।

অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরস্পরের যোগসাজশে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের জন্য অপ্রয়োজনীয় এবং অবৈধভাবে প্রাক্কলন ব্যতীত উচ্চমূল্যে হাসপাতালের যন্ত্রপাতি ক্রয়ের মাধ্যমে সরকারের ১০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত বছর ২৭ নভেম্বর দুদকের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়। ফরিদপুরের আদালতে মামলাটি করেন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী।

মামলায় আসামি করা হয় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারসহ হাসপাতালে সে সময়ে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের। আসামিরা হলেন, মেসার্স অনিক ট্রেডার্সে স্বত্বাধিকারী আবদুল্লাহ আল মামুন, মেসার্স আহমেদ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মুন্সী ফররুখ আহমেদ, জাতীয় বক্ষব্যাধি হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মুন্সী সাজ্জাদ হোসেন, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক তত্বাবধায়ক ডা. গনপতি বিশ্বাস শুভ, কনসালটেন্ট ডা. মিনাক্ষী চাকমা এবং হাসপাতালের সাবেক প্যাথলজিস্ট ডা. এ এইচ এম নুরুল ইসলাম। 

আরও পড়ুন

×