বাউফলে ছাত্রলীগ কর্মী তাপস হত্যায় জড়িতদের শাস্তি দাবিতে বিক্ষোভ
বরিশাল ব্যুরো ও বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৫ মে ২০২০ | ১১:০৫ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় ছাত্রলীগ কর্মী তাপস কুমার দাস হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি দাবিতে সোমবার বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে স্থানীয় সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজের সমর্থকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে উপজেলা সদরে ঈদের দিনও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। বিক্ষোভকারীরা এ ঘটনার জন্য পৌর মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল সমর্থকদের দায়ী করলেও তা অস্বীকার করেছেন মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল।
সোমবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় জনতা ভবন থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি বাউফল পৌরসভার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ইলিশ চত্বরে সমাবেশে গিয়ে মিলিত হয়।
সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের একাংশের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব হাওলাদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম ফারুক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বাচ্চু, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ফয়সাল আহম্মেদ ওরফে মনির মোল্লা প্রমুখ। বক্তারা তাপসের মৃত্যুর জন্য পৌর মেয়র মো. জিয়াউল হক জুয়েলের সমর্থকদের দায়ী করে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল বলেন, ঘটনার সময় তিনি বাউফল থানায় অবস্থান করছিলেন। কে বা কারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা প্রত্যক্ষদর্শী পুলিশ সদস্যরাই ভালো বলতে পারবেন।
এর আগে রোববার সন্ধ্যার দিকে ওই সংঘর্ষের ঘটনার জেরে মেয়র সমর্থিত কালাইয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদ (২৩) ও তার মা মোসা. ফজিনুর বেগমকে (৪৭) পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। ওই সময় ফজিনুরের ডান হাত ভেঙে যায়। পুলিশ মা ও ছেলেকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
বাউফল থানার ওসি মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ছাত্রলীগ কর্মী তাপস নিহত হওয়ার ঘটনায় সোমবার বিকেল পর্যন্ত মামলা হয়নি। তবে মামলা করার জন্য তার পরিবার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
প্রসঙ্গত, রোববার ডাকবাংলোর সামনের সড়কে করোনা ইস্যুতে সচেতনতামুলক তোরণ নির্মাণ করাকে কেন্দ্র করে এমপি ও মেয়র সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে গুরুতর আহত হওয়া ছাত্রলীগ কর্মী তাপস রোববার রাতে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।