ভাঙ্গন এলাকায় অগ্রাধিকারভিত্তিতে বেড়িবাঁধ হবে: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী
পিরোজপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৭ মে ২০২০ | ১০:৩২ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০
বেশি নদী ভাঙ্গন প্রবণ এলাকায় অগ্রাধিকারভিত্তিতে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক।
বুধবার বিকেলে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বলেশ্বর নদীর বড় মাছুয়া লঞ্চঘাট এলাকার নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শনের সময় একথা জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, বেশি নদী ভাঙ্গন প্রবন এলাকায় অগ্রাধিকারভিত্তিতে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে। ভৌগোলিক কারণে বাংলাদেশে নদীর সংখ্যা বেশি। আর তাই নদী ভাঙ্গনের মাত্রাও বেশি। তবে উপকূলীয় এলাকায় ভাঙ্গন রোধে সরকার অনেক বড় বড় প্রকল্প নিয়েছে। এছাড়া নদীপাড়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার স্থানে মজবুত এবং স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে। অন্যান্য এলাকায় মাটির বাঁধ নির্মাণ করা হবে।
তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নদী ভাঙ্গন বেড়ে গেছে, আমরা বাঁধ নির্মাণের নকশায় পরিবর্তন আনবো। বেড়িবাঁধের উচ্চতা এবং প্রশস্ততা বৃদ্ধি করা হবে। পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বড় মাছুয়া লঞ্চঘাট এলাকায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ৫০০ মিটার স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে। এছাড়া পার্শবর্তী এলাকায় আরও ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে।
নদীভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সাথে ছিলেন পিরোজপুর জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন, পুলিশ সুপার হায়াতুল ইসলাম খান, মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উর্মি ভৌমিক এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিবৃন্দ।
উল্লেখ্য, ঘূর্ণিঝড় আম্পানে পিরোজপুরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে জলোচ্ছ্বাসে পিরোজপুরের কঁচা, বলেশ্বর ও সন্ধ্যাসহ সকল নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বেড়িবাঁধগুলো প্লাবিত হয়ে নদীপাড়ের গ্রামগুলোতে পানি প্রবেশ করে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বসতবাড়ি ও খেতের ফসল।