চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ঢাকায় এনে তরুণীকে গণধর্ষণ, গ্রেফতার ৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার
প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০১৯ | ০৮:০৭ | আপডেট: ২৯ অক্টোবর ২০১৯ | ০৮:১০
সাভারের আশুলিয়ায় তৈরি পোশাক করাখানায় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে (১৭) গণধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে পুলিশ ইয়ারপুর ইউনিয়নের তৈয়বপুর মোল্লাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে।
এর আগে সোমবার রাতে তৈয়বপুর এলাকার শান্ত মিয়ার বাড়িতে ওই তরুণীকে গণধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় ওই রাতেই তিনি আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।
গ্রেফতাররা হলেন- চাঁদপুর জেলার মতলব থানার আছলছিলা গ্রামের মো. সোহেল মিয়ার ছেলে রবিন ওরফে সানি (২৪), ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার তৈয়বপুর এলাকার মৃত হাফিজ উদ্দিন মোল্লার ছেলে আজিম উদ্দিন মোল্লা (২৫), কামরাঙ্গীরচর থানার রনি গেট এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে আকবর হোসেন (২৩), একই এলাকার মৃত শুক্কুর আলীর ছেলে শান্ত (২২), একই থানার আক্কেল আলীর গলির জাহাঙ্গীর গাজীর ছেলে মো. নাহিদ (২১) এবং রসুলপুর এলাকার রহিম মিয়ার ছেলে মো. ইমরান (২০)।
আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মোহাম্মদ জিয়াউল ইসলাম জানায়, গণধর্ষণের শিকার কিশোরীর চাচাতো বোনের সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে রবিন নামে এক যুবকের পরিচয় হয়। ওই সূত্র ধরেই চাকরি দেয়ার কথা বলে খুলনা থেকে ওই তরুণী ও তার চাচতো বোনকে আশুলিয়ায় নিয়ে আসেন রবিন। এরপর আশুলিয়ার তৈয়বপুর এলাকায় রবিনের মাধ্যমে শান্ত মিয়ার বাড়িতে বাসা ভাড়া নিয়ে দুই বোন কিছুদিন ধরে বসবাস করে চাকরি খুঁজছিলেন। সোমবার রাতে রবিন ও তার কয়েকজন বন্ধু তাদের বাসায় যান। এ সময় রবিন ওই তরুণীর চাচাতো বোনকে ঘরের বাইরে ডেকে নিয়ে যান। এরপর আজিম উদ্দিন মোল্লার পাহারায় আকবর হোসেন, শান্ত, নাহিদ, ইমরান ওই তরুণীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। ধষণের শিকার ওই তরুণী রাতেই আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে মঙ্গলবার সকালে পুলিম আশুলিয়ার তৈয়বপুর মোল্লাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই ৬ জনকে গ্রেফতার করে। রবিন ও আজিমউদ্দিন মোল্লা ধর্ষণ না করলেও ধর্ষকদের সহযোগিতা করায় তাদেরকেও গ্রেফতার করা হয়ছে।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রিজাউল হক দিপু জানান , গ্রেফতারদের মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে এবং ধর্ষণের শিকার তরুণীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে।