কুড়িগ্রামে নতুন করে ২০ জনের করোনা শনাক্ত
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২০ | ০৮:৪৬
কুড়িগ্রামে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। নতুন করে আরও ২০ জনের শরীরে এই ভাইরাসের অস্তিত্ব শনাক্ত হয়েছে।
বুধবার বিকেলে ২৫ জনের নমুনা পরীক্ষার ফলাফল আসে। তার মধ্যে ২০ জন করোনা পজিটিভ। নতুন শনাক্তের মধ্যে সদর উপজেলায় ৮ জন, নাগেশ্বরীতে ৩ জন, ফুলবাড়ীতে ২ জন, উলিপুরে ৫ জন, রাজিবপুরে ১ জন এবং ভূরুঙ্গামারীতে ১ জন রযেছে।
এনিয়ে জেলায় এ পর্যন্ত ৩৭৭ জন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে চলতি জুলাইয়েই আক্রান্ত হলেন ২৩২ জন।
রংপুর মেডিকেল কলেজের মাইক্রোবায়োলজী বিভাগে স্থাপিত আরটি-পিসিআর ল্যাবরেটরি এবং ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল সেন্টার থেকে মোট ৩ হাজার ৭৩৬ জনের নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে ওই ৩৭৭ জনের ফলাফল পজিটিভ এসেছে বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন ডা. মো. হাবিবুর রহমান।
তিনি আরও জানান, জেলার ৯ উপজেলাতেই করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে জেলা শহরসহ সদর উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। এ উপজেলায় এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ১৪৮ জন। এদের মধ্যে ২ জনের মুত্যু হয়েছে।
এছাড়া অন্যান্য উপজেলার মধ্যে ভূরুঙ্গামারীতে ৩১ জন, রাজিবপুরে ৬ জন, চিলমারীতে ৪৭ জন, ফুলবাড়ীতে ২৮ জন, নাগেশ্বরীতে ৪০ জন, রাজারহাটে ১২ জন, রৌমারীতে ২০ জন ও উলিপুরে ৪৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। উপজেলাগুলোর মধ্যে চিলমারীতে ২ জন ও ফুলবাড়ীতে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সিভিল সার্জন আরও জানান, গত ২৪ ঘন্টায় ১৫ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে আওতায় আনা হয়েছে। এ নিয়ে বুধবার হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন ১৩২ জন। মেয়াদ শেষ হওয়ায় এ পর্যন্ত হোম কোযারেন্টাইনে থেকে অবমুক্ত করা হয়েছে ২ হাজার ৬৯০ জনকে। পাশাপাশি, ৩ হাজার ৭৩৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। ফলাফল এসেছে ৩ হাজার ২৬২ জনের। তারমধ্যে ৩৭৭ জনের ফলাফল পজিটিভ। এদের মধ্যে ৫ জনের মৃত্যু ঘটেছে। আর ১৯৫ জন সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে গেছেন।
এ প্রসঙ্গে সিভিল সার্জন ডা. মো. হাবিবুর রহমান আরও,জানান, করোনা ভাইরাস এখানে ক্রমেই কম্যুনিটিতে ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য সবাইকে মাক্স ব্যবহার, সামাজিক দূরত্ব বজায়সহ স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার জন্য জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
এদিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ডা. অজয় কুমার রায় জানিয়েছেন, জেলায় প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে রাখার ব্যবস্হা না থাকায় প্রায় সকল মাইল্ড করোনা আক্রান্ত রোগীকে পরিবারে হোম আইসোলেশনে রাখা হচ্ছে। তাদের কাছ থেকে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে এবং কম্যুনিটেতে করোনা ছড়িয়ে পড়ে
- বিষয় :
- কুড়িগ্রাম