ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

নিম্নমানের কাজের অভিযোগ স্কুলের প্রাচীর ভাঙল স্থানীয়রা

নিম্নমানের কাজের অভিযোগ স্কুলের প্রাচীর ভাঙল স্থানীয়রা
×

নিম্নমানের কাজের অভিযোগে কালাই সরকারি ময়েন উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাচীর ভেঙে ফেলে স্থানীয়রা সমকাল

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৫ | ০৭:৩১

| প্রিন্ট সংস্করণ

কালাই সরকারি ময়েন উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাচীর নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ইট গাঁথুনি দেওয়ার পর দুলতে থাকায় উত্তেজিত জনতা সেই প্রাচীর ধাক্কা দিয়ে ভেঙে ফেলেছে। ঠিকাদার বলছেন, আসলে শিডিউল অনুযায়ীই কাজ হচ্ছে। গাঁথুনির পর ইট জমাট বাঁধতে সময় লাগে। তার আগেই বিক্ষুব্ধ জনতা প্রাচীর ভেঙে ফেলেছে। এতে আমাদের লোকসান গুনতে হবে। 

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে ময়েন উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাচীর নির্মাণের জন্য ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়। দরপত্রের মাধ্যমে কাজ পায় জয়পুরহাটের মেসার্স এমরান কনস্ট্রাকশন। এরই মধ্যে বিমের কাজ শেষ হয়েছে। ইট গাঁথার কাজ চলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কম পরিমাণ সিমেন্ট দিয়ে ইট গাঁথা হয়েছে। দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকায় জনগণ তা হাত দিয়ে ঠেলে ভেঙে ফেলেছে। শিডিউল অনুযায়ী কাজ করলে এ রকম হওয়ার কথা না। 

প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল মোত্তালিব হোসেন বলেন, যেখানে এক কড়াই সিমেন্ট ও চার কড়াই বালু মিশিয়ে ইট 
গাঁথার কথা, সেখানে এক কড়াই সিমেন্টের সঙ্গে আট কড়াই বালু মেশানো হয়েছে। সে কারণে জমাট না বেঁধে দুলে উঠছে। হাত দিয়ে চাপ দিলেই বালু ও সিমেন্ট (মসলা) ঝুরঝুর করে পড়ে যাচ্ছে। যে কোনো সময় প্রাচীর ভেঙে পড়ে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে সবাই মিলে প্রাচীর ভেঙে ফেলেছে। 

ঠিকাদার নিয়োজিত কাজ দেখভালের দায়িত্বে থাকা রবিউল ইসলাম বলেন, শিডিউল অনুযায়ী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলী ও শিক্ষকদের উপস্থিতিতেই কাজ হচ্ছে। ইট গাঁথার পর জমাট বাঁধতে কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টা সময় লাগে। তার আগেই লোকজন প্রাচীর ভেঙে ফেলেছে। বিষয়টি প্রকৌশলীকে জানানো হয়েছে। 
প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) সাইফুল ইসলাম বকুল বলেন, কাজ দেখভালের জন্য তিন সদস্যের কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। এখনও কাজ শেষ হয়নি। তার আগেই লোকজন এসে প্রাচীর ভেঙে ফেলেছে। 
জয়পুরহাট শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী আবু রায়হান বলেন, খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 

আরও পড়ুন

×