সিলেট চেম্বার অব কমার্সের দুই প্যানেলের সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি
সিলেট ব্যুরো
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৫ | ০৩:১৫
সিলেটের ব্যবসায়ীদের সংগঠন দি সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচন স্থগিতকে কেন্দ্র করে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্যানেলের প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। রোববার সন্ধ্যায় সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ এবং সিলেট ব্যবসায়ী ফোরাম নেতাদের মধ্যে বৈঠক চলছিল।
জানা গেছে, রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠন-১ শাখার উপসচিব চৌধুরী সামিয়া ইয়াসমিন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সিলেট চেম্বারের নির্বাচন স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। ১ নভেম্বর সিলেট চেম্বারের ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। ভোটের ৫ দিন আগেই নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বিষয়টি নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্যানেল এক পক্ষ আরেক পক্ষকে দোষারোপ করছে।
এসব বিষয় নিয়ে সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বৈঠক আহ্বান করা হয়। প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্যানেল- সিলেট সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ ও সিলেট ব্যবসায়ী ফোরাম-এর নেতারা সমঝোতা বৈঠকের জন্য জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে যান। বৈঠক শুরুর একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয় যা একপর্যায়ে হাতাহাতিতে গড়ায়। এ সময় উভয়পক্ষের সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপে বিষয়টি সেখানেই মিটমাট হয়।
সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক ফাহিম আহমদ চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, নিরঙ্কুশ বিজয়ের জোয়ার দেখে একটা পক্ষ নির্বাচন স্থগিত করিয়েছে। একটা পক্ষ সিলেট চেম্বারের নির্বাচন চায় না। তাঁরা সব সময়ই বিশৃঙ্খলা করে যাচ্ছে। এরাই জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন দিয়ে নির্বাচন স্থগিত করিয়েছে।
এ ব্যপারে সিলেট ব্যবসায়ী ফোরামের পরিচালক প্রার্থী এনামুল কুদ্দুস চৌধুরী সমকালকে বলেন, সামান্য ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। সেটি মীমাংসা করে দিয়েছেন আমাদের সিনিয়ররা।
সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আক্তার মিতা বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের চিঠিতে ভোটার তালিকা যাচাই-বাছাই করার কথা বলা হয়েছে। তালিকায় কিছু সমস্যা নিয়ে কয়েকজন সদস্য অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় নির্বাচন স্থগিত করেছে। যাচাই-বাছাই শেষে পুনরায় তফসিল ঘোষণা করা হবে।
