মানিকগঞ্জ-৩ আসন
ত্রিমুখী লড়াইয়ে ধানের শীষে স্বপ্ন দেখছেন ভোটাররা
প্রতীকী ছবি
সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২১:২৩
মানিকগঞ্জ-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান আতা, ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের প্রার্থী মুহাম্মদ সাইদ নুর ও বিএনপির প্রার্থী আফরোজা খানম রিতার মধ্যে ত্রিমুখী লড়াই হতে যাচ্ছে। আজকের ভোটেই নির্ধারিত হবে কে হচ্ছেন এই আসনের কর্ণধার।
আসনটি মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত। এখানে ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫৯টি। স্বাধীনতা পরবর্তী ১০টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে বিএনপি ৫ বার, জাতীয় পার্টি ২ বার, আওয়ামী লীগ ৪ বার জয়ী হয়েছে। কিন্তু আসনটির তেমন উন্নয়ন হয়নি। যতটুকু উন্নয়ন হয়েছে তার অধিকাংশই শহরকেন্দ্রিক।
এই আসনের বিএনপির প্রার্থী আফরোজা খানম রিতা একজন শিল্পপতি। তিনি সাবেক মন্ত্রী হারুন অর রশিদ মুন্নুর মেয়ে। উত্তরাধিকার সূত্রেই তিনি রাজনীতি ও অর্থনৈতিকভাবে শাক্তিশালী প্রার্থী। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনিই ছিলেন মানিকগঞ্জের নির্যাতিত বিএনপি নেতাকর্মীদের ভরসা। দুঃসময়ে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে থাকায় আসনটিতে তাঁর ভালো ফলাফলের সম্ভাবনা দেখছেন স্থানীয়রা।
এদিকে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান আতা একজন ত্যাগী ও জনপ্রিয় নেতা। দুঃসময়ে রাজনৈতিক মাঠের পরীক্ষিত নেতাদের আইকন তিনি। জনপ্রিয়তার কারণেই আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও দুইবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে সক্ষম হন তিনি। মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সাধারণ মানুষের সমর্থন রয়েছে তাঁর প্রতি।
১১ দলীয় নির্বাচনী জোটে থাকা খেলাফত মজলিসের সাইদ নুরকে ‘ভিআইপি প্রার্থী’ হিসেবে গণ্য করা হয়। কিন্তু প্রথম দিকে এই আসনে প্রচার-প্রসারে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ মুহাম্মদ দেলওয়ার হোসাইন এগিয়ে ছিলেন। পরে ১১ দলীয় নির্বাচনী জোট হওয়ায় প্রার্থী পরিবর্তন করে খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ সাইদ নুরের নাম ঘোষণা করা হয়। এতে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা অনেকটা হতাশ।
স্থানীয়দের অনেকে জানান, এই আসনে ত্রিমুখী লড়াই হবে। তবে জয়ের দৌড়ে এগিয়ে থাকবেন বিএনপি প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী। কারণ তারা দুজনই এলাকায় বেশ জনপ্রিয়। দুজনই দুঃসময়ে দলীয় নেতাকর্মীর পাশে থেকেছেন।
- বিষয় :
- মানিকগঞ্জ-৩
- স্বতন্ত্র প্রার্থী
- নির্বাচন
