ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর দ্রুত সংস্কারের ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর 

চট্টগ্রামে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর দ্রুত সংস্কারের ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর 
×

চট্টগ্রামে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী

বিশেষ প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম 

প্রকাশ: ২০ মার্চ ২০২৬ | ১৬:৫৩

জিয়া স্মৃতি জাদুঘর অতি দ্রুত সংস্কারের ঘোষণা দিয়ে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘আমি অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলছি, এই স্থাপনার অবস্থা ভালো না। অবকাঠামোগত অনেকগুলো সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণ না করায় ভূমিকম্প ঝুঁকি তৈরি হয়েছে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক এই স্থাপনার।’ শুক্রবার চট্টগ্রাম নগরের কাজীর দেউড়ি এলাকায় অবস্থিত জিয়া স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে এ মন্তব্য করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সেনাবাহিনীর বিপথগামী একদল সদস্যের হাতে ১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোরে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান নিহত হন। পরে জিয়া স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তর করা হয় এই স্থাপনাটিকে।

জাদুঘর পরিদর্শন শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষককে এখানে হত্যা করা হয়েছে। এটি তাঁর স্মৃতিবিজড়িত। এই জাদুঘরের মাধ্যমে তাঁর স্মৃতি ধরে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। এটা একটা ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাও। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে যিনি রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেছেন, দেশকে স্বাধীন করার অন্যতম সাহসী সন্তান, তাঁর স্মৃতি রয়েছে এখানে। এই জায়গার জাতীয় গুরুত্ব রয়েছে।’

ঐতিহাসিক এই স্থাপনা জরাজীর্ণ হওয়া প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘অতীতে এটার প্রতি কোনো গুরুত্বই দেওয়া হয়নি। সত্যিকার অর্থে যাঁরা স্বাধীনতা যুদ্ধে সম্মুখভাবে ছিলেন, যুদ্ধ করেছেন, স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন তাঁদের অনেকের তো মূল্যায়ন হয়নি।’

জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের অবকাঠামোগত সংস্কার প্রসঙ্গে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, অবকাঠামোর সংস্কার না করে রেনোভেশনের (নতুন রূপ) কোনো সুযোগ এখন নেই। এমনিতেই অবকাঠামোর যেসব সমস্যা আছে, তা সংস্কারে অনেক দেরি হয়ে গেছে। এখন দ্রুত কাজে হাত দেওয়া হবে। এটি সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলবো। জাদুঘরের যে বিষয়গুলো আছে, সেটিকে আবার সঠিকভাবে পুনঃস্থাপন করতে হবে; দর্শনার্থীরা যাতে অনেক কিছু জানতে পারবেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ও জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা অর্পিতা দাশ গুপ্তসহ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। 
 

আরও পড়ুন

×