ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

পর্যায়ক্রমে বন্ধ থাকা সব জুট ও টেক্সটাইল মিল চালু করা হবে: পাট প্রতিমন্ত্রী

পর্যায়ক্রমে বন্ধ থাকা সব জুট ও টেক্সটাইল মিল চালু করা হবে: পাট প্রতিমন্ত্রী
×

ছবি: সমকাল

নীলফামারী প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১২ এপ্রিল ২০২৬ | ২০:১৫ | আপডেট: ১২ এপ্রিল ২০২৬ | ২১:৩৫

বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম বলেছেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে নীলফামারীতে বন্ধ থাকা দারোয়ানী টেক্সটাইল মিল চালু করা হবে। ইতোমধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে এবং বিনিয়োগকারীও পাওয়া গেছে। পর্যায়ক্রমে বন্ধ থাকা দেশের সব জুট মিল ও টেক্সটাইল মিল চালু করা হবে। 

রোববার দুপুরে মিল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান শিল্প প্রতিমন্ত্রী। এ সময় নীলফামারী-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আল ফারুক আব্দুল লতিফ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. সাইদুর রহমানসহ প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত ১৭ বছরে দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রমে স্থবিরতার বিষয়টি উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারেই ছিল সারাদেশের বন্ধ থাকা টেক্সটাইল ও  জুট মিল চালু করা। সেই লক্ষ্যেই শুরু হয়েছে কার্যক্রম। একই সঙ্গে পাটের সুদিন ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার। কৃষকরা যেন পাটের ন্যায্য মূল্য পায় সেটাতে জোর দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পলিথিন নির্মূলে পাটের পণ্য ব্যবহারের ওপর ধীরে ধীরে জনসচেতনতা তৈরি করা হবে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

সফরে সঙ্গে থাকা বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি বলেন, বিগত বছরগুলোর তুলনায় কৃষকরা এবার বেশি দামে পাট বিক্রি করছে। কাঁচা পাট রপ্তানি কমায় পাটজাত দ্রব্য রপ্তানি বেড়েছে। গত বছর পাটজাত দ্রব্য রপ্তানি করে ৮২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় হয়েছে।

একই দিন সকালে পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম দিনাজপুর টেক্সটাইল মিল পরিদর্শন করেন। তিনি প্রায় ২২ বছর বন্ধ হয়ে যাওয়া মিলের কারখানা, গুদামসহ প্রশাসনিক ভবন পরিদর্শন শেষে শিগগির মিল চালুর প্রতিশ্রুতি দেন। 

পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বড় বড় বন্ধ হয়ে যাওয়া মিলকারখানাগুলো ফের চালু করা। এই মিলগুলো চালু হলে ফের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে, শ্রমিকরা ফের চাকরি ফিরে পাবেন। মন্ত্রীর সফরসঙ্গী ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ জেলা প্রশাসক ও বিটিএমসির কর্মকর্তারা।

৩৭ একর জায়গাজুড়ে ১৯৭৮ সালে দিনাজপুর টেক্সটাইল মিলটি নির্মিত হয়। ১৯৮০ সালে উৎপাদনে যায়। তৎকালীন সরকার ২০০২ সালের দিকে বন্ধ ঘোষণা করে।
 

আরও পড়ুন

×