ঢাকা মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে শিশুটিকে হত্যা করে মাদকসেবী

কলাবাগানে মেলে মরদেহ

ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে শিশুটিকে হত্যা করে মাদকসেবী
×

ফরিদপুর অফিস 

প্রকাশ: ০৩ মে ২০২৬ | ০৮:০৯

| প্রিন্ট সংস্করণ

ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে ফরিদপুরে সাত বছরের শিশু আইরিন আক্তার কবিতাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মাদকাসক্ত যুবক ইসরাফিল। একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে এমন তথ্য জানিয়েছেন ইসরাফিল। ওই ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
ইসরাফিল ফরিদপুর সদর উপজেলার গেরদা ইউনিয়নের বাখুন্ডা পূর্বপাড়ার ইবাদত মৃধার ছেলে। নিহত শিশু কবিতা একই এলাকার বাকা বিশ্বাসের মেয়ে। সে স্থানীয় বোকাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশু শ্রেণিতে পড়ত।

ফরিদপুর সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আজমীর হোসেন জানান, শিশুটি নিখোঁজের পর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন তার বাবা। ৩০ এপ্রিল শিশুটির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে সন্দেহভাজন আসামি ইসরাফিলকে আটক করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে ইসরাফিল জানান, ২৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় তিনি ইয়াবা সেবন করেন। পরে তিনি ওই শিশুকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে বাখুন্ডা আশ্রয়ণকেন্দ্রে আশিকের পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। তাতে ব্যর্থ হয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করেন। পরে মরদেহ পাশেই নাছিমা বেগমের বাড়ির টয়লেটের ট্যাঙ্কে ফেলে দেন। ২৮ এপ্রিল ট্যাঙ্ক থেকে গন্ধ বের হলে নাসিমা ঢাকনা তুলে লাশ দেখতে পেয়ে ভীত হয়ে পড়েন। শিশু হত্যার দায় তাদের ওপর চাপতে পারে– এই ভয়ে নাসিমার ছেলে আমিন ও রহমান মরদেহটি একটি প্লাস্টিকের ড্রামে ভরে বাড়ির অদূরে একটি কলাবাগানে ফেলে রাখেন। ৩০ এপ্রিল কলা বাগানে কাজ করার সময় স্থানীয়রা মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। জিজ্ঞাসাবাদে ইসরাফিল একাই শিশুটিকে হত্যা করেছেন বলে জানান।

পুলিশ ঘাতক ইসরাফিল ও মরদেহ গোপন করার অভিযোগে নাসিমা বেগম ও তার ছেলে আমিনকে গ্রেপ্তার করেছে। 
এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা বাকা বিশ্বাস বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা করেছেন।
 

আরও পড়ুন

×