খাগড়াছড়িতে পুকুর থেকে শ্রমিকের লাশ উদ্ধার, মানিকছড়িতে গৃহবধূ খুন
প্রতীকী ছবি
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৮ মে ২০২৬ | ১৬:১৪
খাগড়াছড়ি শহরের সদর রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয়ের পুকুর থেকে কৃষ্ণ দে (৫২) নামে এক পরিবহন শ্রমিকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। অন্যদিকে জেলার মানিকছড়ি উপজেলার গচ্ছাবিল এলাকায় স্বামীর কোদালের কোপে দুই সন্তানের জননী মাহিনুর আক্তার (২৪) নামে এক গৃহবধূ খুন হয়েছেন। এ ঘটনায় স্বামী আবুল কালামকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে খাগড়াছড়ি সদর রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয়ের পুকুরে মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কায় কিসলু।
নিহত কৃষ্ণ দে পরিবহন শ্রমিক বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে পুকুরে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে মানিকছড়িতে স্বামীর কোদালের কোপে নিহত মাহিনুরের (২৪) লাশ বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে মানিকছড়ি পুলিশ উদ্ধার করেছে। মাহিনুর মানিকছড়ির গোদাতলী এলাকার বাসিন্দা আবু তাহেরের মেয়ে এবং দুই শিশু পুত্রসন্তানের জননী। তার স্বামী আবুল কালাম পূর্ব গচ্ছাবিল এলাকার প্রয়াত নূর আলম শেখের ছেলে।
মাহিনুর আক্তারের স্বামী আবুল কালামের দাবি, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার সঙ্গে স্ত্রী মাহিনূরের ঝগড়া, বাকবিতণ্ডা ও মারামারি হয়। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে দুজনের হাতে থাকা কোদালের আঘাতে মাহিনূরের মাথায় কোপ লাগে। এতে মাহিনূরের মাথা ফেটে গিয়ে তাৎক্ষণিক মাটিতে লুটিয়ে পড়ে মারা যায়।
তবে নিহতের পিতা আবু তাহেরের দাবি, তার মেয়ে মাহিনুরকে তারই স্বামী মো. আবুল কালাম নির্মমভাবে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় নিহতের শাশুড়ি খাদিজা বেগমও জড়িত রয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
মানিকছড়ি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদ পারভেজ জানান, “খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকা ঘাতক স্বামী আবুল কালামকে আটক করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
- বিষয় :
- খাগড়াছড়ি
- মরদেহ উদ্ধার
- গৃহবধূ খুন
