ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

ফ্রান্স ফেরত প্রত্ননিদর্শন আসল, নাকি রেপ্লিকা জানতে কমিটি

মহাস্থান জাদুঘর

ফ্রান্স ফেরত প্রত্ননিদর্শন আসল, নাকি রেপ্লিকা জানতে কমিটি
×

 বগুড়া ব্যুরো  

প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৬ | ০৮:০৩

| প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়ার মহাস্থান প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘরের হাজার কোটি টাকা মূল্যের প্রত্ননিদর্শন ২০০৭ সালে ফ্রান্সের গিমে জাদুঘরে পাঠানো হয়েছিল। প্রত্নসম্পদগুলো আসল অবস্থায় দেশে ফিরেছিল কিনা, তা নিয়ে নতুন করে রহস্য সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় সোমবার শিবগঞ্জের ইউএনওকে প্রধান করে ৯ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

অভিযোগ উঠেছে, ২০০৮ সালে দেশে ফেরত আসা অধিকাংশ প্রত্ননিদর্শন কোনো ধরনের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই বছরের পর বছর স্টোর রুমে অযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে। প্রশ্ন উঠেছে, এগুলো কি আসল, না রেপ্লিকা? 

এরই এক পর্যায়ে সোমবার বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিষয়টি নতুন করে উঠে আসে। সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। সভায় কয়েকজন সদস্য ২০০৮ সালে ফ্রান্স ফেরত প্রত্ননিদর্শনের প্রকৃত অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। পরে প্রতিমন্ত্রী তাৎক্ষণিক তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন।
জানা গেছে, ২০০৭ সালে দেশের বিভিন্ন জাদুঘরের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্ননিদর্শন ফ্রান্সে প্রদর্শনীর জন্য পাঠানো হয়। ২০০৭ সালের ১৮ নভেম্বর সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় প্রত্ননিদর্শন পাঠানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সম্মতি দেওয়া হয় এবং ওই বছরের নভেম্বরের শেষের দিকে এক ধাপে বেশ কিছু পাঠানো হয়। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ২য় ধাপে আরও কিছু প্রত্নতত্ত্ব নিয়ে যাওয়ার সময় মহাস্থান জাদুঘরের একটি মূর্তি বিমানবন্দরে হারিয়ে যায়। এরপর প্রথম ধাপে নিয়ে যাওয়া প্রত্ননিদর্শনগুলো ২ মাস পরই দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। তবে দেশে ফেরার পর এসব প্রত্নসম্পদ আদৌ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছিল কিনা, তার কোনো সুস্পষ্ট তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। 
মহাস্থান জাদুঘরের কাস্টডিয়ান রাজিয়া সুলতানা বলেন, কিছু সামগ্রী প্রদর্শনের জন্য রাখা হলেও বাকিগুলো স্টোর রুমে সংরক্ষিত। যেহেতু এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। তাই তদন্ত শেষ হওয়ার 
আগে কিছু বলতে চাই না।
 

আরও পড়ুন

×