ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

পদ্মা নদী থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার

পদ্মা নদী থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার
×

ছবি: সমকাল

পাবনা অফিস 

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬ | ১৬:৩৯ | আপডেট: ০৩ জুন ২০২৬ | ১৬:৫১

পাবনার পদ্মা নদী থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় এক কিশোরীর হাত-বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের অভিযোগ, কিশোরীকে হত্যা করে মরদেহ নদীতে ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা। তবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের বলরামপুর এলাকার পদ্মা নদী থেকে ওই কিশোরীর (১৪) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত কিশোরীর পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। তবে তার গলায় একটি রূপার চেইন ছিল বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে পদ্মার চরে কাজ করতে যাওয়ার সময় কয়েকজন কৃষক নদীতীরে আটকে থাকা একটি নৌকার পাশে প্লাস্টিকের মুরগির বস্তা ভাসতে দেখেন। সন্দেহ হলে একজন কৃষক বস্তার মুখ কেটে ভেতরে একটি কিশোরীর মরদেহ দেখতে পান। মরদেহটির হাত বাঁধা ছিল এবং গলায় একটি বাজারের ব্যাগ পেঁচানো ছিল। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই এলাকায় একটি অজ্ঞাত প্রাইভেটকারে চারজন মধ্যবয়সী ব্যক্তিকে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। নদীতীরবর্তী এলাকা থেকে বলরামপুরের দিকে যাওয়ার সময় গাড়িটি বিকল হয়ে পড়লে স্থানীয়দের সহায়তায় সেটি ধাক্কা দিয়ে বলরামপুর মুজিব বাঁধ পর্যন্ত নেওয়া হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, তাদের ধারণা মেয়েটিকে অন্য কোথাও হত্যা করে মরদেহ প্রাইভেটকারে করে এনে রাতে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখার দাবি জানান তারা।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এখনো কিশোরীর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজসহ বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত যাচাই করা হচ্ছে।’

আরও পড়ুন

×