ঢাকা বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

টানা বৃষ্টিতে সড়ক তলিয়ে সাজেকে আটকা ৬০০ পর্যটক

টানা বৃষ্টিতে সড়ক তলিয়ে সাজেকে আটকা ৬০০ পর্যটক
×

গত তিন দিনের টানা ভারী বর্ষণে মঙ্গলবার রাতে বাঘাইহাটের মাচালং এলাকায় একটি সেতু ও সড়কের দুটি অংশ পানিতে তলিয়ে যায়। ছবি: সমকাল

রাঙামাটি অফিস 

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬ | ১৩:১৫ | আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬ | ১৩:২৩

টানা ভারী বৃষ্টিতে রাঙামাটির দীঘিনালা-সাজেক-বাঘাইহাট সড়কের একাধিক স্থান পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সাজেক ভ্যালীর সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে পর্যটনকেন্দ্রটিতে প্রায় ৬০০ পর্যটক আটকে পড়েছেন।

স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, গত তিন দিনের টানা ভারী বর্ষণে মঙ্গলবার রাতে বাঘাইহাটের মাচালং এলাকায় একটি সেতু ও সড়কের দুটি অংশ পানিতে তলিয়ে যায়। বুধবার সকাল ছয়টার দিকে দীঘিনালা-সাজেক সড়কের আরও কয়েকটি অংশ পানিতে ডুবে যায়। ফলে সাজেকের সঙ্গে দীঘিনালা ও বাঘাইহাটের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। আটকে পড়া পর্যটকদের বেশির ভাগই গত সোমবার ও মঙ্গলবার সাজেকে বেড়াতে গিয়েছিলেন।

এদিকে, অব্যাহত ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ধস ও যোগাযোগব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক ভ্যালী পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর স্বাক্ষরিত জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিদ্যমান আবহাওয়ায় সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় পর্যটক ও সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেকের সব পর্যটনকেন্দ্র, ঝরনা, পাহাড়ি ট্রেইল, দুর্গম এলাকা ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পর্যটক, ট্যুর অপারেটরসহ সর্বসাধারণের প্রবেশ ও ভ্রমণ নিষিদ্ধ থাকবে।

সাজেক রিসোর্ট ও কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি সুর্পণ দেব বর্মণ বলেন, বাঘাইহাট–মাচালং সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ৫০০ থেকে ৬০০ পর্যটক সাজেকে আটকা পড়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকে গত সোমবার থেকে দুই দিনের জন্য কক্ষ বুকিং করেছিলেন, আবার মঙ্গলবারও কিছু পর্যটক সেখানে যান।

তিনি বলেন, বৃষ্টিপাত কমে সড়ক থেকে পানি না নামা পর্যন্ত তাদের ফিরে যাওয়া সম্ভব হবে না। আটকে পড়া পর্যটকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত কক্ষভাড়া নেওয়া হবে না। তারা শুধু খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সেবার খরচ পরিশোধ করেই রিসোর্টে থাকতে পারবেন।

বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা মারজান বলেন, বিষয়টি জানা গেছে। কতজন পর্যটক আটকে আছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
 

আরও পড়ুন

×