বাড়ি ফেরার পথে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার কিশোরী
প্রতীকী ছবি
সমকাল ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬ | ০৭:৩৮
রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় বাড়ি ফেরার পথে এক কিশোরী (১৭) দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত মঙ্গলবার রাতের এ ঘটনায় তিনজনের নামে চারঘাট থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগীর মা।
আসামিরা হলো– লিমন ইসলাম (২২) ও জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে শিটু আলম (১৮)। আরেক আসামির বয়স ১৬ বছর। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী মেয়েটির দুই মাস আগে বিয়ে হয়। তার স্বামী কর্মসূত্রে ঢাকায় থাকেন। মেয়েটি থাকে তার পরিবারের সঙ্গে।
মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে মসজিদে আরবি পড়া শেষে বাড়ি ফিরছিল মেয়েটি। পথে একই গ্রামের এক যুবক কিছু একটা দেখানোর কথা বলে তাকে ডেকে পাশের আমবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে আরও দুজন অপেক্ষা করছিল। তিনজন মিলে মেয়েটিকে পাশের পাটক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী বাড়ি ফিরে স্বজনদের বিস্তারিত জানায়। পরিবারের সদস্যরা গতকাল বুধবার সকালে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নয়ে যান। পরে চারঘাট থানায় গিয়ে তিনজনের নামে লিখিত অভিযোগ দেন।
চারঘাট মডেল থানার ওসি আব্দুল মালেক বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। ভুক্তভোগী কিশোরীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে।
কুমিল্লার স্কুলছাত্রীকে চট্টগ্রামে নিয়ে ধর্ষণ
বিয়ের কথা বলে স্কুলছাত্রীকে (১৩) কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামে ডেকে ধর্ষণের অভিযোগে রিফাত (২৫) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি হাতিয়া উপজেলার চৌধুরী গ্রামের ইউছুফ মিয়ার ছেলে। গত ১৪ জুলাই হাটহাজারীর শিকারপুর এলাকায় ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া থানায় মামলা করেন। এরপর গত মঙ্গলবার রাতে রিফাতকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি ফারুক হোসেন জানান, গতকাল আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার
কুষ্টিয়ার কুমারখালীর সদকী ইউনিয়নের তালোয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে (১০) ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মোস্তাফিজুর রহমান নামের শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগীর বাবা কুমারখালী থানায় মামলা করার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মোস্তাফিজুর ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার তাহেরহুদা ইউনিয়নের নারানকান্দি গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।
ভুক্তভোগী জানায়, সকালে সে মাদ্রাসায় ঘুমিয়ে ছিল। সে সময় মোস্তাফিজুর তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। শিশুটি চোখ খুললে সে তার মাথায় হাত দিয়ে বলে, ‘মনে করো তুমি স্বপ্ন দেখতেছ।’ এরপর অন্য শিক্ষার্থীরা বিষয়টি টের পেলে মোস্তাফিজুর চলে যায়।
মাদ্রাসার সভাপতি জুলফিকার মাহমুদ বলেন, ‘মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাটি জানতে পেরে অন্য সদস্যদের নিয়ে বৈঠক বসানো হয়। এর মধ্যে সেখানে পুলিশ চলে আসে।’
কুমারখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমিরুল ইসলাম বলেন, ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে কুমারখালীর কয়া ইউনিয়নে যৌন নিপীড়নে ব্যর্থ হয়ে সিগারেটের আগুনে শিশুর (৭) মুখ পুড়িয়ে দিয়েছে এক কিশোর (১৬)। গত মঙ্গলবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। বুধবার শিশুটির বাবা মামলা করার পর কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, মঙ্গলবার বিকেলে প্রথম শ্রেণির দুই ছাত্রী প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফিরছিল। পথে অভিযুক্ত কিশোর যৌন নিপীড়নের উদ্দেশ্যে এক শিশুর গলায় ছুরি ধরে ঝোপের মধ্যে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় অপর শিশুটি বাধা দেয়। একপর্যায়ে ছুরি ধরা শিশুটির মুখ সিগারেটের আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত কিশোর।
হাসপাতালে শিশু ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মতিয়ার রহমান (৫৭) নামে এক রোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ১৬ জুলাই ভোরে এ ঘটনা ঘটে। ওই দিন মামলার পর মতিয়ারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে বিষয়টি জানাজানি হয় গত মঙ্গলবার রাতে। গ্রেপ্তার মতিয়ার সদর উপজেলার অমরখানা ইউনিয়নের নিতাইপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
সদর থানা পুলিশের ওসি মোখলেছুর রহমান বলেন, আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টা
গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলায় প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার বিকেলের এ ঘটনায় বুধবার অভিযুক্ত লোকমানের (৭০) নামে কালীগঞ্জ থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগীর মামা।
থানার ওসি জাকির হোসেন বলেন, আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
(সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য)