ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

কুমিল্লায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামির মৃত্যুদণ্ড

কুমিল্লায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামির মৃত্যুদণ্ড
×

রায় ঘোষণার পর আসামিকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। ছবি: সমকাল

কুমিল্লা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬ | ১৭:৪৮ | আপডেট: ২৩ জুলাই ২০২৬ | ১৭:৪৯

কুমিল্লায় তৃতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১- এর বিচারক মো. ইয়াছিন আরাফাত এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মফিজুল ইসলাম মফু জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার খিলপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে। 

অভিযোগ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থী স্কুল শেষে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হন। নির্ধারিত সময়ে সে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে এলাকার একটি ধানক্ষেতে তার মরদেহ পাওয়া যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার স্কুলব্যাগ, স্কুলড্রেস ও জুতা উদ্ধার করে।

পুলিশ জানায়, শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। ঘটনার সময় স্থানীয় কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ঘটনাস্থল থেকে মফিজুল ইসলাম মফুকে দ্রুত চলে যেতে দেখেন। এ ঘটনার পরদিন নিহত শিশুর মা বাদী হয়ে সদর দক্ষিণ উপজেলার খিলপাড়া এলাকার বাসিন্দা মফিজুল ইসলাম মফুকে একমাত্র আসামি করে সদর দক্ষিণ থানায় মামলা করেন। ঘটনার পর আত্মগোপনে চলে যান আসামি মফু। ঘটনার ৩ দিন পর র‍্যাব চাঁদপুরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. ইমাম উদ্দিন সমকালকে বলেন, গ্রেপ্তারের পর আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে আসামি শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেন। এছাড়াও ডিএনএ রিপোর্টেও আসামি ওই শিশুকে ধর্ষণ করার প্রমাণ মিলেছে। মামলার অভিযোগপত্রে (চার্জশিট) এসব বিষয় আনা হয়েছে। 

রায় ঘোষণার পর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনাল-১-এর পিপি বদিউল আলম সুজন বলেন, মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরুর পর ১৯ কার্যদিবসে বিচার সম্পন্ন করে আদালত মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন। দ্রুততম সময়ে এ রায় সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। রায় ঘোষণার পর আসামি মফুকে কুমিল্লা কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। 

আরও পড়ুন

×