বরিশালের নতুন সিভিল সার্জনের কক্ষ
দোসর আখ্যা দিয়ে ঝুলানো তালা খোলা হয়নি দুদিনেও
ছবি: সমকাল
বরিশাল ব্যুরো
প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২৬ | ২২:৩৯
বরিশালের নবনিযুক্ত সিভিল সার্জন ডা. মো. মনিরুজ্জামানের কক্ষে ঝুলানো তালা গতকাল সোমবারও খোলা হয়নি। তাঁর অপসারণ চেয়ে বিএম কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী গত রোববার তালাটি ঝুলিয়েছেন।
ডা. মনিরুজ্জামান সোমবার সন্ধ্যায় সমকালকে বলেন, তালা লাগানোর বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। নিরাপত্তার জন্য তিনি সোমবার অফিসে যাননি। তাঁর উদ্যোগে তালা ভাঙা হলে বিষয়টিকে ভিন্ন দিকে নেওয়া হতে পারে। তাই অপেক্ষা করছেন প্রশাসন উদ্যোগ নিয়ে যেন তালা খুলে দেয়।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার সমকালকে বলেন, সরকারি দপ্তরে তালা দেওয়া গুরুতর অপরাধ। সিভিল সার্জনের কক্ষে তালা দেওয়ার খবর তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে জেনেছেন। তালা খোলার জন্য সিভিল সার্জনের দপ্তর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আবেদন হয়নি। যে কারণে জেলা প্রশাসক হিসেবে তিনি কোনো পদক্ষেপ নেননি।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালকের দায়িত্বে থাকা উপপরিচালক ডা. মোহাম্মদ লোকমান হাকিমের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি সাড়া দেননি।
প্রসঙ্গত, ডা. মনিরুজ্জামানকে সিভিল সার্জন পদে পদায়ন করে মন্ত্রণালয় গত ২১ জুলাই প্রজ্ঞাপন দেয়। তিনি গত বৃহস্পতিবার যোগদান করেন। তাঁকে দোসর আখ্যা দিয়ে গত রোববার বিএম কলেজের প্রায় ২০ ছাত্র সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে বিক্ষোভ ও তাঁর কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন। সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে এ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন ছাত্র অধিকার পরিষদের জেলা সভাপতি সাব্বির হোসেন সোহাগ।
এর আগে বিভাগীয় পরিচালক ডা. এস এম মনিরুজ্জামান শাহীনের অপসারণ চেয়ে বিএনপিপন্থি চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) একাংশের আন্দোলনের সময়ে ১১ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়েছিলেন মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা। সে সময় একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে পুলিশ তালা ভেঙে দেয়। তবে ড্যাব জেলা সভাপতি ডা. কবিরুজ্জামানের দাবি, সিভিল সার্জনের কক্ষে তালা ঝুলানোর সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা নেই।
- বিষয় :
- সিভিল সার্জন
- তালা