সাতক্ষীরায় ৬০ হাজার মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে
ফাইল ছবি
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৯ নভেম্বর ২০১৯ | ০৩:০৯ | আপডেট: ০৯ নভেম্বর ২০১৯ | ০৩:৫০
ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে সাতক্ষীরায় দিনভর গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিসহ ঝড়ো হাওয়া বইছে।
আবহাওয়া অফিসের পক্ষ থেকে ১০ নং মহাবিপদ সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
পুলিশ, বিজিবি, নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের সমন্বয়ে গঠিত টিম উপকূলবর্তী মানুষকে নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে। হাসপাতাল ও কমিউনিটি ক্লিনিক সার্বক্ষণিক খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক এস.এস মোস্তফা কামাল বলেন, ‘ইতিমধ্যে জেলার ২৭০ টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৬০ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।’
তিনি জানান, দুর্যোগ কবলিতদের জন্য ৩১০ মেট্রিক টন চাল, নগদ ৫ লাখ ৪২ হাজার টাকা, ২ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার, ২৭ হাজার পিস পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও পর্যাপ্ত ওষুধপত্র মজুদ রাখা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, দুর্যোগ মোকাবেলা করতে প্রশিক্ষিত ২২ হাজার স্বেচ্ছাসেবকসহ ৮৫ টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া শিশুদের জন্য ১ লাখ টাকা ও গবাদি পশুর জন্য আরো ১ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। উপকূলীয় উপজেলা শ্যামনগর, আশাশুনি ও কালিগঞ্জ উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এছাড়া সুন্দরবন সংলগ্ন নদী ও খালে থাকা নৌযানগুলোকে উপকূলবর্তী নিরাপদ জায়গায় আনা হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরার দুটি বিভাগের আওতায় ২৫০ কিলোমিটার বেঁড়িবাধ ঝুকিপূর্ণ রয়েছে। ৭ ফুট উচ্চতায় বুলবুলের জলোচ্ছ্বাস আঘাত করলে এসব বেড়িঁবাধ রক্ষা করা সম্ভব হবেনা।
সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের উপ-পরিচালক জুলফিকার আলী জানান, বেলা ১২ পর্যন্ত সাতক্ষীরায় ২৯ মিলিলিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
