বিএনপি নেতাকে গুলির ঘটনায় পাল্টাপাল্টি ভাষ্য
প্রতীকী ছবি
নোয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৯ আগস্ট ২০২৬ | ০৮:২২ | আপডেট: ০৯ আগস্ট ২০২৬ | ০৯:১৩
| প্রিন্ট সংস্করণ
নোয়াখালী বেগমগঞ্জে জেলা বিএনপির সাবেক ধর্মবিষয়ক সম্পাদক আবুল কাশেমকে লক্ষ্য করে গত বৃহস্পতিবার রাতে গুলি ছুড়েছিল দুর্বৃত্তরা। লক্ষ্যভ্রষ্ট সেই গুলিতে আহত হন তাঁর সহযোগী ইয়াছিন সেন্টু। এ ঘটনার জন্য ছোট ভাই মো. আবুল হোসেন ও তাঁর ছেলে ইয়াসিন আরাফাত হৃদয়কে দায়ী করেছেন আবুল কাশেম। এসব অভিযোগকে মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন আবুল হোসেন। তিনি বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে পাল্টা আরও কিছু অভিযোগ তুলেছেন।
আবুল কাশেম চৌমুহনী বাজারের নোয়াখালী জাতীয় হকার্স সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি পদেও আছেন। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সহযোগী সেন্টুসহ অফিস থেকে বের হন। তারা হাঁটতে হাঁটতে হকার্স মার্কেটের সামনে পৌঁছলে মোটর সাইকেলে করে আসা হেলমেট পরিহিত দুই যুবক কাশেমকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় সেন্টু তাঁকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় কাশেমের হাতে গুলির আঁচড় লেগে সেন্টুর পেটে বিদ্ধ হয়। বর্তমানে সেন্টু ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ঘটনার পর আবুল কাশেম চৌমুহনী হকার্স মার্কেটে সংবাদ সম্মেলনে হামলার জন্য ছোট ভাই আবুল হোসেন ও তাঁর ছেলে ইয়াসিন আরাফাত হৃদয়কে ঘটনার মূল ইন্ধনদাতা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘ভাগ্যে গুণে আমি প্রাণে বেঁচে গেলেও ইয়াছিন সেন্টু হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। ইয়াছিন আরাফাত হৃদয়কে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই।’
গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় নোয়াখালী প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মো. আবুল হোসেন লিখিত বক্তব্যে বলেন, তাঁকে ও তাঁর ছেলে ইয়াসিন আরাফাত হৃদয়কে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গুলির ইন্ধনদাতা হিসেবে উল্লেখ করে মিথ্যা অভিযোগ তুলেছেন বড় ভাই আবুল কাশেম। তাঁর সঙ্গে একটি জমি দীর্ঘদিনের বিরোধের উল্লেখ করে আবুল হোসেন বলেন, ‘ওই বিরোধকে পুঁজি করে আবুল কাশেম আমার ছেলেকে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার অপচেষ্টা করছেন। কাশেমের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি, ধর্ষণসহ একাধিক মামলার অভিযোগ রয়েছে। তাঁর অপরাধ ও আমার জমি দখলের প্রতিবাদ করায় তিনি আমার বাসায় কয়েকবার হামলা করেছেন। আমাকে ও আমার ছেলেকে মামলা দিয়ে নানাভাবে হয়রানি করেছেন।
- বিষয় :
- গুলি
- বিএনপি নেতা