পবিপ্রবির ১ শিক্ষক ও ৭ কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ
ফাইল ছবি
দুমকী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬ | ১৮:০৯ | আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০২৬ | ১৮:১২
কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালিয়ে নাশকতা কার্যক্রমে উস্কানি প্রদানের অভিযোগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ শিক্ষক ও ৭ কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার রেজিস্ট্রার প্রফেসর মোহাম্মদ জামাল হোসেন স্বাক্ষরিত কারণ দর্শানো অফিস আদেশে অভিযুক্ত শিক্ষক-কর্মকর্তাদের কাজকে ‘গুরুদণ্ডমূলক অপরাধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। কেন তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা আগামী ০৭ কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য বলা হয়।
অভিযুক্তরা হলেন- প্রফেসর ড. মো: জুয়েল হাওলাদার, ডেপুটি রেজিস্ট্রার নাঈম কাওসার, তানজিলুর রহমান, মো: ওয়াজ কুরনি, ফিরোজ আলম, সহকারী রেজিস্ট্রার আসমা আক্তার সেতু, মোঃ শামীম খান ও সাময়িক বরখাস্তকৃত সেকশন অফিসার আরিফুর রহমান পিয়েল।
উল্লেখ্য, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বিরোধী অবস্থান ও বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নানা ধরনের অপরাধের সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায় তারা পুনরায় এ ধরনের গুরুদণ্ডমূলক অপরাধ সংঘটিত করেছেন বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে দুর্নীতি, অনিয়মসহ নানা ধরনের অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানে বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছে।
অভিযুক্ত ডেপুটি রেজিস্ট্রার নাইম কাওসার জানান, তিনি প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী। তিনি নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে কোন প্রচার প্রচারণা করেননি। তিনি কারণ দর্শানো চিঠি পেয়েছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তিনি চিঠির জবাব দিবেন।
সহকারী রেজিস্ট্রার শামীম খান জানান, তিনি নিষিদ্ধ সংগঠনের কোন কাজের সাথে সম্পৃক্ত নয় বলে দাবি করেন।
আসমা আক্তার সেতু জানান, তিনি নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে কোন উস্কানীমূলক মন্তব্য বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনরকম কার্যক্রমে সম্পৃক্ত নন। তিনিও যথাসময়ে কারণদর্শানো পত্রের জবাব দিবেন বলে জানিয়েছেন।
পবিপ্রবি রেজিস্টার প্রফেসর মোহাম্মদ জামাল হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট কারণ দর্শানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তারা জবাব দিলে কর্তৃপক্ষ কমিটি গঠন করে তদন্ত করবেন। অভিযোগের সত্যতা পেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।