ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নাগেশ্বরীতে অরণ্যের সবুজ উৎসব

নাগেশ্বরীতে অরণ্যের সবুজ উৎসব
×

ছবি-সমকাল

নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৬ | ১৬:৩২

নাগেশ্বরীতে সবুজ উৎসব পালন করেছে পরিবেশবাদী সংগঠন অরণ্য। উপজেলার কাচারী পয়রাডাঙ্গা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী এ উৎসব পালন করে তারা। এদিন ছিল সংগঠনটির ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার নিখিল চন্দ্র বর্মন।

গতকাল সকাল ১০টায় ফিতা কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধান শিক্ষক আজিজুল ইসলাম মন্ডল। এরপর পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে রোপন করা হয় বিভিন্ন প্রজাতির ৫০টি ফলজ, বনজ ও ঔষধী বৃক্ষের চারা। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেওয়া হয় আরও চার শতাধিক ফলজ ও ভেষজ বৃক্ষের চারা। পরে দিনব্যাপী চলে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কুইজ প্রতিযোগিতা, পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন, বৃক্ষ প্রদর্শনী। 

এ সময় বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রভাষক নুর মোহাম্মদ আল আমিন সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন প্রধান অতিথি উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার নিখিল চন্দ্র বর্মন, প্রভাষক তরিকুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ফুলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আব্দুল কাদের, পরিবেশবাদী সংগঠন অরণ্যের উপদেষ্টা নুর আমিন, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আব্দুস ছোবহান জুয়েল, আবু জোবায়েদ সাগর, প্রধান শিক্ষক আজিজুল ইসলাম প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য, বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। 

উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার নিখিল চন্দ্র বর্মন বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, এটি জীববৈচিত্র রক্ষা, মাটি সংরক্ষণ ও বায়ুমণ্ডলের ভারসাম্য বজায় রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

 

অরণ্যের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আব্দুস ছোবহান জুয়েল জানান, পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং শিক্ষার্থীদের বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। 

অরণ্যের উপদেষ্টা নুর আমিন বলেন, শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে আয়োজিত এ কর্মসূচি এলাকায় পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

সবশেষে গাছে পেরেক ঠুকা বন্ধে সকল শিক্ষার্থী একসঙ্গে লাল কার্ড দেখান।

আরও পড়ুন

×