ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কলকাতায় অগ্নিকাণ্ড

দেশে ফিরল আহমেদ বাবুর মরদেহ, দাফন সম্পন্ন

দেশে ফিরল আহমেদ বাবুর মরদেহ, দাফন সম্পন্ন
×

আহমেদ বাবুর মরদেহ বহনকারী গাড়ি। ছবি: সমকাল

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার

প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬ | ১৯:০০ | আপডেট: ২৩ আগস্ট ২০২৬ | ১৯:০২

সাভারের আমিনবাজার বেগুনবাড়ি শিদকার পাড়া মহল্লায় পৌঁছেছে আহম্মেদ বাবুর মরদেহ। তিনি গত মঙ্গলবার কলকাতার একটি হোটেলে এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত হন। গত সোমবার কলকাতার উদ্দেশে বাড়ি থেকে রওনা দেন তিনি। তার মরদেহ পৌঁছানোর অপেক্ষায় ছিলেন পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা। মা, স্ত্রী, ছেলে মেয়ে ও ভাইসহ স্বজনদের কান্নায় ভারি হয়ে ওঠে বাড়ির পরিবেশ।

রোববার সকাল ১০টার দিকে বেগুনবাড়ি বড় মাঠে আহমেদ বাবুর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে আমিনবাজারের বড়দেশী কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। শেষ বিদায়ের সময় স্বজন ও এলাকাবাসীর চোখে ছিল অশ্রু আর কণ্ঠে ছিল প্রিয় মানুষটির জন্য দোয়া। 

জানাজায় স্বজন, প্রতিবেশী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ঢল। ছবি: সমকাল

আহমেদ বাবুর বড় ভাই মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘যে মানুষটি দোকানের মালামাল কিনে বুধবারই দেশে ফেরার কথা ছিল, সে ফিরলো তবে জীবিত নয় লাশ হয়ে।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতে আমাদের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে। দোকানের জন্য কেনাকাটা শেষ করেছে বলে জানিয়েছিল। বুধবার তার দেশে ফেরার কথা ছিল। আমরা সবাই তার ফেরার অপেক্ষায় ছিলাম। সকালে হঠাৎ জানতে পারি আগুনে সে মারা গেছে। বাবু তার স্ত্রী এবং ১২ বছরের মেয়ে রোজা আক্তার ও পাঁচ বছরের ছেলে সোয়াদকে এতিম করে রেখে গেলো।’ 

মেয়ে রোজা আক্তার মিরপুর-১২ এলাকার ক্যান্টনমেন্ট স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

নিহত আহমেদ বাবু আমিনবাজারের বেগুনবাড়ি শিকদার পাড়া মল্লার মৃত আদম আলীর ছেলে। আমিনবাজার বাসস্ট্যান্ডের এম এ হোসেন টাওয়ারের নিচতলায় ‘কিউট কসমেটিক এন্ড জুয়েলারী’ নামে তার একটি দোকান আছে। ব্যবসার প্রয়োজনে নিয়মিত ভারতে যাতায়াত করতেন তিনি। চার ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট বাবু পরিবারের সঙ্গেই একই বাড়ির দ্বিতীয় তলায় থাকতেন।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা নিউ মার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেল শিখা ইনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ আগুনে পুড়ে দগ্ধ হয়ে মারা যান কসমেটিক্স ব্যবসায়ী আহম্মেদ বাবু। নিহত আহম্মেদ বাবু দীর্ঘদিন ধরে কলকাতা থেকে কসমেটিক্স এনে বাংলাদেশে বিক্রি করতেন।  

আরও পড়ুন

×