ঢাকা বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেঘনায় কোহিনুর হত্যা

আসামি ধরতে পুলিশের গাফিলতির অভিযোগ

আসামি ধরতে পুলিশের  গাফিলতির অভিযোগ
×

ছবি- সংগৃহীত

 হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৯ আগস্ট ২০২৬ | ০৯:২৪ | আপডেট: ২৯ আগস্ট ২০২৬ | ১৩:৫৩

| প্রিন্ট সংস্করণ

কুমিল্লার মেঘনায় চর দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে কোহিনুর আক্তার হত্যা মামলার আট আসামি এখনও গ্রেপ্তার হয়নি। এজাহারভুক্ত ৬১ আসামির মধ্যে পাঁচজন কারাগারে। জামিনে রয়েছেন ৪৮ জন। বাকি আট আসামি এখনও গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাদীপক্ষের লোকজন। তুলেছেন পুলিশের গাফিলতির অভিযোগ।
নিহত কোহিনুর আক্তার (৪৫) মেঘনা উপজেলার চর বিনোদপুর গ্রামের ট্রলার চালক কাবিল মিয়ার স্ত্রী। গত ২৬ জুলাই মেঘনা ও তিতাস উপজেলার বাসিন্দাদের মধ্যে চর দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে কোহিনুর আক্তার নিহত এবং ৪০ জন আহত হন। ঘটনার দুই দিন পর মেঘনা থানায় ৬১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন কাবিল মিয়া। 

মামলা দায়েরের রাতেই চারজন এবং পরদিন একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। উপজেলার বিনোদপুর গ্রামের বাসিন্দা আলী আকবরসহ একাধিক বাসিন্দা জানান, পাঁচজন আসামি ছাড়া আর কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তদন্ত কর্মকর্তার গাফিলতির কারণে অনেক আসামি হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। আট আসামির জামিন না হলেও তারা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এসব আসামি বিভিন্নভাবে বাদী ও তাঁর পক্ষের লোকজনকে হুমকি-ধমকি দিয়ে যাচ্ছেন। হোমনা সার্কেল এএসপি, মেঘনার ওসিকে বিষয়গুলো জানালেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। 
গাফিলতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সাঈদ সানাউল্লাহ। তাঁর ভাষ্য, আসামিদের গ্রেপ্তারে তাঁর কোনো ধরনের গাফিলতি নেই। হাইকোর্টে যাওয়ার অনেক দরজা, হাইকোর্টের ভেতরে আসামি ধরার নিয়ম নেই। আদালতের বাইরে আসামি ধরার চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু আসামিরা অন্য দরজা দিয়ে চলে যান। মেঘনা থানার ওসি শহীদুল ইসলাম বলেন, আমরা পাঁচ আসামি ধরেছি। কিছু আসামি ফেসবুকে লাইভে মিটিং করেন কিভাবে? এই প্রশ্নে তিনি বলেন, আসামিরা ঢাকা বা দূরে কোনো জায়গা থেকে হঠাৎ লাইভ করে থাকতে পারে। পুলিশের গাফিলতির অভিযোগ সঠিক নয়। আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন

×