ঢাকা মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইস্পাতের সেতুর পাতের নিচে বালুর বস্তার ঠেস

ইস্পাতের সেতুর পাতের নিচে বালুর বস্তার ঠেস
×

কাঠালতলা-মাগুরখালী ঝুঁকিপূর্ণ সুন্দরবুনিয়া ইস্পাতের সেতু সমকাল

ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি 

প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৮:১০

| প্রিন্ট সংস্করণ

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কাঁঠালতলা-মাগুরখালী সড়কের ভদ্রা নদীর ওপর নির্মিত ইস্পাতের সেতুটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। জরাজীর্ণ সেতুটিতে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সেতুর পাতের নিচে বালুর বস্তার ঠেস দেওয়া হয়েছে। এলাকাবাসী একাধিকবার দাবি জানিয়ে এলেও সেতুটি সংস্কারে উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। 
জানা গেছে, এলজিইডির অর্থায়নে ১৯৯১ সালে উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের সুন্দরবুনিয়া গ্রাম এলাকায় ভদ্রা নদীর ওপর ইস্পাতের সেতুটি নির্মিত হয়। তিন দশকের বেশি সময়ে সংস্কার না করায় গত বছরের জানুয়ারিতে সেতুর কয়েকটি পাত খুলে নিচে পড়ে যায়। চলাচল অব্যাহত রাখতে তখন থেকে সেতুর কয়েকটি নড়বড়ে পাতের নিচে বালুর বস্তার ঠেস দেয় এলাকাবাসী।
গোলাবদহ গ্রামের সন্তোষ কুমার মণ্ডল, কালীপদ মণ্ডল ও পরিমল বিশ্বাসের ভাষ্য, এ উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের চাষি ও মৎস্যজীবীরা কৃষিপণ্য ও মাছ বিক্রির জন্য বিভিন্ন হাটবাজারে যাতায়াত করেন। এ ছাড়া একাধিক স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, দুটি পুলিশ ক্যাম্প, চাকরিজীবীসহ হাজারো মানুষ প্রতিদিন এ সেতু দিয়ে উপজেলা ও জেলা সদরে চলাচল করেন। বিশেষ করে এ এলাকার মাছ ও কৃষির সঙ্গে জড়িতদের আরও বিপাকে পড়তে হচ্ছে। 
আটলিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল হালিম মুন্না জানান, ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়ন, আটলিয়া, মাগুরখালী, মাগুরাঘোনা, শোভনা এ ইউনিয়নগুলোর মানুষ কাঁঠালতলা-মাগুরখালী সড়কে চলাচল করেন। পাশাপাশি খুলনার কয়রা, পাইকগাছা ও সাতক্ষীরার তালা, দেবহাটা ও কপিলমুনি উপজেলার অনেকে এ সহজ পথ দিয়ে খুলনা, যশোর ও সাতক্ষীরা জেলা শহরে আসা-যাওয়া করে থাকেন। অথচ এ সড়কের জরাজীর্ণ ইস্পাতের সেতুর দিকে কেউ নজর দিচ্ছে না। 
এলজিইডি উপজেলা প্রকৌশলী মুহাম্মদ দারুল হুদা বলেন, সুন্দরবুনিয়া সেতুটি সংস্কারে জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চাহিদা পাঠানো হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেলে মেরামতের কাজ শুরু করা হবে। 

আরও পড়ুন

×