ঢাকা শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্কুল শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যা, প্রধান অভিযুক্তের বাড়ি ভাঙচুর

স্কুল শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যা, প্রধান অভিযুক্তের বাড়ি ভাঙচুর
×

ছবি: সংগৃহীত

পাবনা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২২:২২

পাবনা সদর উপজেলায় এক স্কুল শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মোস্তফা কামালের বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে ক্ষুব্ধ জনতা। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার কুলুনিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে এ সময় অভিযুক্তের পরিবারকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে সক্ষম হয় পুলিশ।

পাবনা সদর থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিখোঁজ হওয়ার সাত দিন পর গত বুধবার সকালে নিজ বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে শিশুটির (১০) বস্তাবন্দি গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তাররা হলেন স্থানীয় মুদি দোকানি মো. মোস্তফা প্রামাণিক (৫৫) এবং তার ভাড়াটিয়া মো. ইয়াছিন আলী। গ্রেপ্তারদের গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার দুপুরে উত্তেজিত জনতা সংগঠিত হয়ে মোস্তফার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত ছিল। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। তবে বিপুলসংখ্যক মানুষের ভিড় ও ক্ষোভের কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কিছুটা বেগ পেতে হয়। উত্তেজিত জনতা এগিয়ে এলে পুলিশ দ্রুত বাড়ির পরিবারের সদস্যদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়। হামলায় কেউ আহত হননি।

এদিকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পাবনা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, ওই স্কুল শিক্ষার্থী নিখোঁজের পর সন্দেহভাজন হিসেবে মোস্তফা প্রামাণিক ও ইয়াছিন আলীকে আটক করা হয়। আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ জানান, গ্রেপ্তার মোস্তফা বিকৃত চরিত্রের মানুষ। সে তার দোকানে আসা নারীদের বিভিন্নভাবে ছবি তুলে রাখত। ওই শিশুটি তার দোকানে কেনাকাটা করতে গেলে তার একাধিক ছবি সে তুলে ফোনে রেখেছিল। ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর মেয়েটি বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ ছিল। তাকে কৌশলে ঘরে নিয়ে মোস্তফা ও ইয়াছিন ধর্ষণ করে। পরে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ বস্তায় ভরে ঘরেই ফেলে রাখে।

পুলিশ সুপার আরও জানান, নিখোঁজের পর খোঁজাখুজির কারণে এবং দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে তারা লাশটি বাহিরে ফেলে দিতে যায়। কিন্তু তাদের কুকুর তাড়া করলে লাশের বস্তাটি পাশের পুকুরে ফেলে দেয়।

আরও পড়ুন

×